মালিক এবং শ্রমিক
লাগলে আমায় কভু তোমার কভু কাজে
হঠাৎ করেই আমার বন্ধু হও মাঝে মাঝে সুবিধাবাদী জীবন তোমার;
ছলচাতুরি করো সকাল সাঁজে
হলে আমি তোমার মত মরতাম ভয়ে ও লাজে।সম্পূর্ণ
লাগলে আমায় কভু তোমার কভু কাজে
হঠাৎ করেই আমার বন্ধু হও মাঝে মাঝে সুবিধাবাদী জীবন তোমার;
ছলচাতুরি করো সকাল সাঁজে
হলে আমি তোমার মত মরতাম ভয়ে ও লাজে।সম্পূর্ণ
জীবনের সন্ধিক্ষণে এসে ধরা দেয় থেমে যাওয়ার শৈলী
দরিয়ার ভাঙ্গা বুকে ছিল কিছু চেতনার অবক্ষয়
অগত্যা তাবেদারের গীতিকার হয়েছিল কোন মধুকর
চেতনার জল ঢালা মাদুরে বসে তারা যেন ব্যর্থ অবতার
অশেষ মায়ার লক্ষ্যহীন ব্যবধান করেনি কোন কিছুর সমাধান
আতঙ্কের বাণী তারা ছড়ায়েছে যেথা হেথা
সময়ের পরাক্রান্ত আজ পরিশ্রান্ত,
ভেসে থাকা সময়ের চিরজীব আজ বড় ক্লান্ত।
আমি দয়াহীন নয় তবু দয়াহীন করে তোলে মোরে সময়
প্রতি পদে পদে আছে দাঁড়ায়ে ব্যথার পাহাড়
আমি হাটিবার তরে পা ফেলি বারে বারে তবু খাই হোঁচট বারবার
ব্যথাদের কৌশল ভেঙেছিল মনোবল
তবু বেহালের হাল ধরে রাখে এই দুর্বল বাহুবল।সম্পূর্ণ
শুভ প্রনয়ের ঝঞ্ঝা বিচলিত করে আজ তবু
যায় ডুবে ভাবনার সাগরে;
ভিড়ের মাঝে যায় না মুছে বনলতা কভু,
একে একে চলে গেছে সবাই;বয়ে গেছে জীবনের ঢের সময়
আগন্তুক পথের পথিক জেগে আছে মধ্যরাতের শূন্য গগনে
নিস্তব্ধ রাতের কোন আঁধারের আকাশে ভাসমান চাঁদ অতীন্দ্রিয় প্রহরায়,
সজাগ ভোরের মিশ্রিত কোলাহলে মোহনায় ডুবে শেষ ফেরি ডাকছে আমায়।
আকুল প্রার্থনায় স্মৃতিতে মোড়া নীল খাম শোনায় তাহার নাম
এই ভোর ভোর নয়; এ যে স্বপ্নের ঘোর,
নামের পাশেই আছে লেখা দেখো সেই চির বদনাম।সম্পূর্ণ
মাগো আমি আসবো, আসবো মাগো।
গেয়ে যাব আবার আমার তেরঙ্গা পতাকায়
লেখা যত শহীদ ভাইয়ের অসমাপ্ত যত গান ।
তুমি কেঁদোনা মা , তুমি হাসো । আগামীর দিশায়
আমার যত ভাইবোন ওঁদের ভালোবাসো ।
হে ভারতমাতা , আমায় যদি কখনো পরে মণে
পাবে আমায়, আমি রব ঐ ভোরের উজ্জল গগনে। সম্পূর্ণ
বর্তমান সময়ের ধর্মীয় ভাবাবেগের অপপ্রচার এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারের প্রেক্ষাপট লিখিত এই কবিতা।সম্পূর্ণ
সবাই যেন নিগূঢ় প্রতিনিধি সুব্রত মিত্র সবাই কেমন দুরে চলে যায় —- —- — —সম্পূর্ণ