দীর্ঘশ্বাস শুধু

কখনও মৃত আমির ওপর দিয়ে পেড়িয়ে চলেছে
অর্ধ সমাপ্ত বিদীর্ণ এক পথ, মনে হয়
সক্রিয় গ্রন্থিগুলো নিষ্পেষিত করে
সদর্পে বয়ে যায় শব্দে বর্ণে সালংকারা
আত্মের মত, তৃষিত সে পথ সংগোপনে বুঝে নেয়
মাথার ওপাশে ভগ্নাংশের ছাতির মত
রোদ্দুরে অনাহূত স্মৃতিচিহ্ন বুঝি । বুক চিরে
পিচ গলা ব্যাথা কত শত রোদ্দুর নামে
মৃত আমি বলে ওঠি – দ্যাখো ,দ্যাখো এই আনকোরা
মৃত ঝোঁপ ঝাড়, ফাঁটা পোড়া মৃৎচিহ্ন রেখে
আমার উপর জন্মান্তর এ কি প্রতিশোধ ?

স্মৃতিচিহ্ন থেকে কেউ অন্তর্হিত করেছে আমায়
ধূ ধূ মরুপথ ঢেকে গেছে ধূলিস্তুপে, অনাদৃত গাছেদের
ধূষর বৃত্তের কাছাকাছি, আরও এক
অস্ফুষ্ট কক্ষপথ,নিদাঘ প্রদাহ আর মৃতগন্ধ
শবদেহে যেন নির্বিকার বাহকের
অন্তিম সমাধি আর স্তূপীকৃত লাশ !
কোথাও মিলাতে চেয়ে ফিরে আসে বিদ্ধস্ত ত্রাসে
নাগালেই সব ছিল
সেই গন্ধ বুকে চেপে একা সেই পথ
নিরাকার শ্রেনীহীন ফলগুলো পথেতে লুটায়
এদিক সেদিক আমারই মতন
আজও অবিকল, নিশুথ আঁধারে ভূর্য্যপত্র খুলে দেখি
একগুচ্ছ মনস্তাপ রেখেছে সাজিয়ে
করস্পুটে পারেনি কৃতাঞ্জলি, ভরা সে দীর্ঘশ্বাস শুধু।

সম্পূর্ণ

১৩।

বাংলাদেশ
মুহাম্মদ শাফায়াত হুসাইন

বঙ্গপো সাগর তীরে মোর বাংলাদেশ
পর্বত, হাওর, নদী দেশের শ্রেষ্ঠতা
ঐশ্বর্য, শস্য শ্যামল দিয়েছে বিধাতা
স্বাস্থ্য, সমৃদ্ধি, সুরক্ষা রানি হতে বেশ।

ক্ষুধা, রোগ,শত্রু মুক্ত বাস যোগ্য দেশ
লক্ষ শহীদ প্রাণের ফল স্বাধীনতা
হয় শ্রেষ্ঠা রোহিঙ্গা কে দিয়ে আশ্রয়তা
দলাদলি, অন্তর্ঘাত নাহি থাকে লেশ।

দেশের স্বার্থে যোগ্য কে দেয় মন্ত্রী স্থান
প্রজাদের স্বস্থি দেয় স্বয়ম্ভর হয়ে
ধন ধান্যে বৃদ্ধি করে নিরাপত্তা দান।

দুর্যোগেও রবে লাল সবুজ নিশান
যবে দেশ মাতৃকার হবে সুসন্তান।
সবে করো দেশ সেবা প্রাণ শঁপে দিয়ে।সম্পূর্ণ