বিষন্নতার দিনলিপি
বিষণ্নতার নিজস্ব কোনো রং নেই। তবু কিছু কিছু বিকেলকে দেখলে মনে হয়, পৃথিবীর সমস্ত ধূসরতাসম্পূর্ণ
বিষণ্নতার নিজস্ব কোনো রং নেই। তবু কিছু কিছু বিকেলকে দেখলে মনে হয়, পৃথিবীর সমস্ত ধূসরতাসম্পূর্ণ
জীবন এমনই— কখনো ধানের গন্ধ মেখে সন্ধ্যা নামে ঘাসের ভিতর, কখনো শহরের জানালায় জমে থাকেসম্পূর্ণ
তুমি আর আমি যেন দুটো সমান্তরাল রেখা, অনন্তকাল পাশাপাশি হেঁটে চলা— অথচ কোনোদিন কোনো একসম্পূর্ণ
ধরে নাও, কাল সকালে ঘুম থেকে উঠে শুনলে আমি আর নেই, হারিয়ে গেছি— যেখানে যোগাযোগেরসম্পূর্ণ
নিরব,নিস্তব্ধ মৃত লাশের মতো নিথর, ঘুমন্ত শহর… জানলার বাইরে ঝলসানো রুটি স্বরুপ চাঁদ ঝুলছে। কিছুসম্পূর্ণ
বিশাল অন্তরীক্ষ পানে তাকিয়ে, পড়বে কি মনে? তুমিহীন আমার বিষাদ বিকেল কতোটা শূন্যতায় কাটে। সূর্যসম্পূর্ণ
যতোই দিন যাচ্ছে তোমার প্রেম গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে। প্রতিনিয়ত তোমার বিস্তৃতি ঘটছে হৃদয়ের গহীনসম্পূর্ণ
তপ্ত দুপুরে উম্মত পেয়েছে তোমারই শীতল ছায়া, মরুর দহনে তুমিই তো দিলে রহমতের মায়া। নিখিলেরসম্পূর্ণ