অনন্তের কল্পনা
কল্পনা করিতে চাহি
কল্পনায় ভাসিতে চাই।
অশেষের শেষ নাহি
তবু শেষ দেখিতে চাই।
সম্পূর্ণ
কল্পনা করিতে চাহি
কল্পনায় ভাসিতে চাই।
অশেষের শেষ নাহি
তবু শেষ দেখিতে চাই।
সম্পূর্ণ
বিনামূল্যের রেশন এ যে
সরু চাল সে ছাঁটা নিজে।
আটার মান নির্ভেজালে যান
মাসে মাস তার দেখে কই।।
মৃত্যুর কর-তালি
আমি দৃষ্টিহীন দেখিতে না পাই
বধির যে জন শুনিতে না পায়
চারিদিকে আঁধার ঘনায়ে আসে
আঁধারে আঁধারে গলাগলি।
সম্পূর্ণ
এ যে উত্তরের হাওয়া —
আনে কম্পন নাসিকা ঝনঝন,
মোর চরণ চাহে শরণ
এ দীনের কবিতা কর গো বরণ।
সম্পূর্ণ
কঠিন শীতের কঠিন হাওয়া
আরও কঠিন মোর স্নানে যাওয়া।
এই ধরনীতে আসা যাওয়া
শেষ নাহি যার অনন্তে চাওয়া।।
সম্পূর্ণ
মেলা খেলা উৎসব লয়ে
আনন্দ ধারা যায় যে বয়ে।
মন্দিরের উপাসনা ছাতিম তলার আরাধনা
দীপের আলো করে পূর্ণ অপূর্ণতার পানে ধেয়ে।।
সম্পূর্ণ
যে জন বাইরে বোলে
ভিতরে চলে,
এ কেমন তার চলন ধারা!
যে জন বাহিরে নহে
ভিতরেও নহে,
বাহির-ভিতর মাঝখানে গতি
সে ভ্রমণ তার হবে কি সারা?
সম্পূর্ণ
এক চিলতে জমি লয়ে
করে কৃষি মন দিয়ে।
বীজ বপনে আসে দ্বন্দ্ব
মালিকের কথায় নাই যে ছন্দ।
কথার মাঝে ভালো মন্দ
তাতেই চাষি খোঁজে আনন্দ।
সম্পূর্ণ
আমার যাতায়াতের পথের ‘পরে
এক ভয়াল ছায়া ভর করে।
অস্তগামী সূর্য দানে অন্তিমের আলো
ভরা সাঁঝে গ্রামের মাঝে
তখনও জ্বলেনি প্রদীপ ভালো।