মধ্যরাতের ক্ষণস্থায়ী বৃষ্টির প্রতি
আমায় এমন পাগল করে আকাশ থেকে নামলে কেন?নামলে যখন মধ্যরাতেই চোখের দেখা না ফুরাতেই থামলেসম্পূর্ণ
অভিমানের গান
তাও জানি ক্যানো ভাল্লাগেনা।আমার জন্যে কেউ জেগে নেই রাত!সিগারেটের ধোঁয়া আমাকে প্রশ্ন করে,“এ ভাবেই চলবেসম্পূর্ণ
কোন এক বৈশাখে
হয়তো যদি কোন এক বৈশাখে ফিরে আসি-মলিন মুখোশ ছুড়ে ফেলে, উল্লাসে।খোপায় বেলি ফুলের মালায় –লাল-সাদাসম্পূর্ণ
ল্যাম্পপোস্টের আলো
ল্যাম্পপোস্টের আলোটা নিভু নিভু করছে তুমিও ধীরে ধীরে যেন মিশে যাচ্ছো অন্ধকারে অচীন গহ্বরে!সম্পূর্ণ
কামান দেগে দগদগে বুক
যাচ্ছে জ্বলে আমার বুকের ঘর-বসতিদাও না বলে, কোন ওষুধে মিটবে জ্বালা!বুকের বসত খুব যে খালি,শূন্যতাসম্পূর্ণ
নক্ষত্রের নিশিপ্রদীপ নিভেছে
আমার লালাগ্রন্থি নির্দোষ।মুখেঠোঁটে আর কোনো বিষ নেই।মুখের মাঝে মিলিয়ে গেছেতোমার ঠোঁটের স্পর্শ। বারান্দায় পোষা নয়নতারাশুকিয়েসম্পূর্ণ
কিছু পাগলামি
জুলপি দুটো দেখতে দেখতে শাদা হয়ে গেল! আমাকে তরুণ কবি বলে কেউ ভুলেও ভববে নাসম্পূর্ণ
ক্ষণিকের মুক্তি
বকুলের ঘ্রাণ অসহ্য বোধ হয়।একটা মাত্র চুম্বনই তো প্রত্যাশা করেছিলাম,কিন্তু মনে হলো একদলা বিস্বাদ থুতুঠোঁটেরসম্পূর্ণ











