| কবিতা | হীরক রাজা’র আবিষ্কার |
| কবি | শিশির বিন্দু |
| সময় | ২০২৬,অক্টোবর ১০ |
| উৎসর্গ | শ্রীচরনেষু সত্যজিৎ রায় |
| লিখার স্থান | লালমাটিয়া,ঢাকা। |
| কবিতার বিষয় | জীবনমুখী, প্রতিবাদ |
হীরক রাজা’র আবিষ্কার তিরস্কার করে যায় কেন রক্তাক্ত স্মৃতি বিমূর্ত হয়ে বিশ্বকে অভিযোগ করে নি, কারন
ফিরে যায় সব না বলার শব্দগুচ্ছে, হিরক রাজাদের পেছনে পেছনে,তুমি কি সেই মানুষের দলে যাদের ক্ষুদ্র ক্ষুধায় গরম ভাতের একটি দানায় লেখা আছে নির্লিপ্ততা, মানবিক অসারতা জ্ঞানের কাছে বিজ্ঞান চায়, এক মুঠো ধানের জন্যে হিরক রাজার অনুমতি প্রার্থী বিশ্ব ইশ্বরকে কেবলাকান্ত ভেবে বসে আমাদের গরীব রক্ত,রক্তের নীল বিদ্রোহ আমাদের হীরক রাজাদের আবিষ্কার করতে শেখায়,দ্বিতীয় মাত্রায় গরীব হতে হতে নাগরিক শেখে শহুরে হবার যুদ্ধ,কৃষানের পায়ের বেড়ি ধনীর আজন্ম ইচ্ছা, ধিক তারে ধিক্কার, যারে মানে বিশ্ব রক্তের দাস আর সেই দাস ভাবে হীরকের রাজা আজকের বিবর্তনের বিবেচনায় সবচেয়ে বড় মাথা, তার জন্যে হীরক রাজা আবিষ্কার করেছে বিদুৎ ও যান্ত্রিকতা
আর দিয়েছে সূর্যের বিকল্প পৃথিবী,দেয় নি শুধু খাদ্যের সহজ প্রাপ্যতা, কেটে দিয়েছে কৃষকের হাতের আঙুল,আমার এক পৃথিবী’র রক্তের প্রজন্ম বেড়ে উঠেছে সেই হীরক রাজার শিষ্য হয়ে, সবাই তারা আবিষ্কারক হবে,কৃষকের কাটা আঙুলগুলো আজ আর বিদ্রোহ চায় না চায় শুধুই বেঁচে থাকার আশ্বাস।মাটি,মায়া,চেতনা সব গোগ্রাসে গিলছে হীরক রাজা।শ্রমিক, কৃষক,নাগরিক, ধনী বসে বসে শুধুই হীরক রাজার আরও আবিষ্কার চাইছে।ভীত, নতজানু সৃষ্টি আজ হীরক রাজার হাতে জিম্মি। যে জিতে যায় সে হেরে যেতে চায় না তাই সে জিতে যাওয়ার জন্য পাপের রাজা হয়ে ওঠে তবে অনেক কৃষকের কাটা আঙুল চিৎকার করে নিজের হেরে যাওয়ার ঘোষনা দিয়ে গেছে, কারন সবাই হেরে গিয়ে ও জিতে যাওয়ার দলে থাকার জন্যে জন্মে নি।হীরক রাজা তুমি আবিষ্কারের নেশায় কৃষকের ঘামের মূল্য দিতে চাও নি।তুমি একজন প্রতারক।