ঈশ্বরের অপমৃত্যু
ঈশ্বরের অপমৃত্যু আজিজুল হক তারপর রাসায়নিক বিষক্রিয়ায় প্রেম হয়। জীবাশ্ম হয়ে জন্ম নেয় মিথ্যে বীর্যজাতসম্পূর্ণ
—লাশের ধর্ম নেই
মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান অপঘাতে মৃত্যু, হলে লাশ কাটা হবেই। লাশের কোনো ধর্ম নেই, লাশেরসম্পূর্ণ
হীরক রাজা’র আবিষ্কার
হীরক রাজা’র আবিষ্কার তিরস্কার করে যায় কেন রক্তাক্ত স্মৃতি বিমূর্ত হয়ে বিশ্বকে অভিযোগ করে নি,সম্পূর্ণ
নামকরণ নিষিদ্ধ
শব্দটা মুখে আনা যাবে না, আনা মানেই পরিবেশ নষ্ট করা। যে লোকটা সকাল থেকে সন্ধেসম্পূর্ণ
নির্লজ্জ লেন্স ও নেহা বোরা
স্তনের ভাঁজে নয়, দেখো মানুষের ক্রোধ জমেছে। একটি প্রজন্ম ব্যারিকেড ছুঁয়ে নিজের ভবিষ্যৎ ফেরত চাইছে।সম্পূর্ণ
কোন এক বর্ষায় অনামিকা
দুজনেই ভিজেছিলাম বৃষ্টিময় এক বিকেলে, অনামিকার হৃদয় জুড়ে তখন বর্ষাকাল। সেদিন ডুয়ার্সের আকাশ ছিল একসম্পূর্ণ
তৃতীয় নদীর আগে
জোনাকির ভিতরে একটি কালো নদী ছিল, আমি সেখানে নোঙর ফেলেছিলাম যখন পরাগের ঘড়ি উল্টো দিকেসম্পূর্ণ
জলের জন্ম বৃত্তান্ত
কোন ভাষা নাই–আকণ্ঠ জেগে ওঠে মনের মধ্যে ক্ষোভ-বিদ্রোহের জ্বলন্ত অনল বুকে রাখা তোর পা, আমিসম্পূর্ণ
অন্ধকার নামলে
ছেলের লাশের উপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতার গন্ধ শুঁকি। গণকবরে চাঁদের আলো পড়লে নিজের মুখটাকে অন্ধকারে ঢেকেসম্পূর্ণ
বেয়াড়া প্রশ্নে মানবতা
আমার ছোট্ট মেয়েটা সেদিন, আমার কাছে এসে- চিন্তিত মুখ, ভ্রূ কুচকে বসলো দেখি পাশে! আচ্ছাসম্পূর্ণ