নিজের খেয়াল রেখো
শুনেছি ভাঙাচোরা বেড়েছে ফুটওভারে
বেখেয়ালি হেটোনা আর
পারাপারে সতর্ক থেকো!
শ্বাসকষ্টের মেডিসিন নিও ঠিকাঠাক,
নিজের খেয়াল রেখো!
সম্পূর্ণ
প্রেম ভালোবাসা আবেগ এবং অনুভূতির কবিতা।
শুনেছি ভাঙাচোরা বেড়েছে ফুটওভারে
বেখেয়ালি হেটোনা আর
পারাপারে সতর্ক থেকো!
শ্বাসকষ্টের মেডিসিন নিও ঠিকাঠাক,
নিজের খেয়াল রেখো!
সম্পূর্ণ
আমার ভালোবাসার ছোয়া লেগে আছে,
লেগে আছে লাঙ্গলের প্রতিটি রেখায় রেখায়।
এই বাংলাই আমার প্রেম,
এই বাংলাই আমার ভালোবাসা।
সম্পূর্ণ
আমার শহরের থেকে আমার শহরের মেঘ
তোমার শহরে উড়ে যায়
তুমি কি তাকিয়ে দেখেছ?
আকাশে কী মেঘ করেছে ঢাকায়! সম্পূর্ণ
এ জনম, তুমি কি ভিখারী হতে চাও ?
ঘর দর ফুটপাত, যাযাবর ইচ্ছে সংসার সাজাও।।সম্পূর্ণ
হে বাংলার বন্ধু
তুমি ছিলে কবির লেখা সেরা কবিতা
তুমি ছিলে শিল্পীর আঁকা শ্রেষ্ঠ ছবিটা
তুমি ছিলে বাংলার গরীব দুঃখির হাল
সকল উগ্রকে করিতে দুর্বল।সম্পূর্ণ
স্মৃতিতে কেবল গোলাপ মুচড়ানো হাতের নগ্নতা। হয়তো বলে কিছু নাই, সত্যি সত্যি ভাবছি, আকাশ বেলাজ হয়ে পড়ে আছে পায়ের কাছে, আলস্যে ভাগাতে পারছি না, হে জন্মপরাগ, এসো, ভাগিয়ে নাও সমস্ত ফুলকার মেজাজ ও রাগ।সম্পূর্ণ
প্রিয়তমা, কল্পনার প্রিয়তমা-
তোমারে দেখে মনে হয় ঝর্ণার থেকেও সুন্দর।
রাতের অন্ধকারে তোমারে দেখলে মনে হয় রাতের পরী-
অথবা ভোরের স্নিগ্ধ আলোয়- রাজহংসীর রানী-
তখন দেখে তোমায় হারিয়ে যায় সব উদাসীন কবি।
পৃথিবীর অনিবার্য রাত্রির কাছে
জ্যোৎস্নায় মৃত হরিণীরা জেগে ওঠে
শীতল সমুদ্রে গা- ভাসাবার জন্য;
সেই আদিকাল থেকে অপেক্ষায় থাকা পুরুষ হরিণেরা
পুরানো প্রেমিকাদের ফিরে পাওয়ার আশায় তাঁরাও জেগে ওঠে
মৃত থেকে; তখন ঝাপ দেয় শীতল সমুদ্রের বুকে।
সম্পূর্ণ
সবই বাড়বাড়ন্তের পথে এগিয়ে চলে
কিছু পাই আর কখনো কিছু হারায়
তবুও খুঁজে পাওয়া গেল না তাঁকে
আমিতো আগেই বিদ্রোহীর পোশাক গায়ে জড়িয়েছি
তুমি তা মানোনী বোধহয়
সীমাহীন চোখের আড়ালে যাও চলে
মানুষেরা সব উন্নতি থেকে অবনমনের পথে এড়িয়ে চলে – তুমি: তা টের পাও কি কখনো !!সম্পূর্ণ
তোমাকে যখন খুব করে চেয়েছিলাম
তুমি, আমার ডাকে সাড়া দাও নি।
তোমার জন্য যখন পাগল ছিলাম
নিছক পাগলামি ভেবে একবারও খেয়াল কর নি।সম্পূর্ণ