বঙ্গের বুকে শরতের মেলা
ফুলে ফুলে ভরা প্রকৃতির ডালা।
সবুজ মাঠের দিকে দিকে
আলো ছায়ার লুকোচুরি খেলা।

বাহিরে কেবল হাওয়ার দোলা
অন্তরে আজ আনন্দ মেলা।
দিনকর তাড়াতাড়ি যাবেন বাড়ি
দিগন্তে ঢলি যায় যে বেলা।
সম্পূর্ণ

শহরজুড়ে সমাবেশে নামা গাড়িগুলোকে আমার
আরশোলা ভাবতে ভাল লাগে
দুহাত উচিয়ে তাই রাস্তা পার হতে ভেবে পাই না
চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে যাব নাকি চলব ছুটে।
তখন ঐ পুলের উপর দাড়ানো লোকটাকে আমার
শালিকের মত মনে হয়, যেন দাড়িয়ে আছে
সোনালু বলে ময়েজ উদ্দিনের গাইয়ের কুজে।সম্পূর্ণ

তুমি কি ঐ বনের কুসুম
নাম-না-জানা অচেনা পথে দূরের শোভা?
প্রভাতের ঐ আলোক ধারায় হেসে হেসে
ফুটেছো, কোন্ দিগ্-ভ্রান্ত পথিকের লাগি
হাতছানি ঐ দিয়েছো!
সম্পূর্ণ

মেঘ-রোদ্দুরের চুক্তিবদ্ধ দলিল প্রস্তুত,
সবুজ ঘাসেরা তৃষ্ণার্ত।
বাড়ি ফিরে গেছে একঝাঁক সাদা-বক,
তাদের ডানার খুঁজে হাওয়ারা দিগ্বিদিক দিশেহারা। সম্পূর্ণ

বৃক্ষের প্রতিটি শাখা-প্রশাখায় জন্মেছে নবপল্লব,
কৃষ্ণচূড়ার রক্তাভ শরীরে সুড়সুড়ি দেয় মৌমাছির দল,
তবু মনে নেই দোলা।
এ আবার কেমন বসন্ত?
হঠাৎ একদিন বোধ করি—
অন্তরের গভীর কোণে ঝরা পাতার মর্মর ধ্বনি
চোখ মেলে দেখি—
সরষের আড়ালে প্রজাপতির লুটুপুটি।সম্পূর্ণ