অথ উত্তাপ কথা
তাকে বুঝি নিয়েছে কাঁকড়ে
বালি চাপা মাসী হয়
উপবৃত্ত হয়ে দিয়েছে ঝুলিয়ে, ব্রম্মছাপ জঠর গাদায়
সম্পূর্ণ
বিরহের কবিতা সমূহ রয়েছে এখানে।
তাকে বুঝি নিয়েছে কাঁকড়ে
বালি চাপা মাসী হয়
উপবৃত্ত হয়ে দিয়েছে ঝুলিয়ে, ব্রম্মছাপ জঠর গাদায়
সম্পূর্ণ
পৃথ্বীও নীরবে কাঁদে শমনের ভয়ে
নিয়ত হারায় বুক ক্ষয়ে ক্ষয়ে চির চেনা ছিরি,
মানুষ তো ছোট প্রাণ
খসলে সুরেলা গান
কেনেই আহত হৃদে জাগবে না বিষাদের গিরি!সম্পূর্ণ
বললে কিছু বলাই হতো
এমনকিছুর শব্দ খুঁজে,
সহজ সরল মিষ্টি বুলির
স্পষ্ট ধারার পদ্য রচে।সম্পূর্ণ
(১) সুরুজের শশী সুরুজ হারিয়ে গেলে নীলিমাকে ভুলে দূর থেকে আরও বহুদূর, নিজেকে পাবে নাসম্পূর্ণ
প্রাক্তনেরা সর্বদাই সুন্দর
সুন্দর তাদের চোখ, চুল, হাসিমাখা ঠোট।
পরনের রঙিনত্ব যেন রঙ্গিন জীবনেরই ঘোর
দেখে শান্ত মন হয়ে ওঠে ক্লান্ত, করে ছটফট।সম্পূর্ণ
আমি) ভাববো না সুনয়না – ভুলুক দখিনা বায়ু তরু, লুকাবো অব্যক্ত ব্যথা বিরানের মতো হলেওসম্পূর্ণ
নিষিদ্ধ অরণ্যে আমার প্রতিনিয়ত যাওয়া আসা ছায়ার গভীরে ঘুম নিশ্চিত জেনেও দৃঢ় সংকল্প হৃদয়ে
লিখে যায় আকুলতার ভাষা
আসেনি কেউ – অত্যন্ত ভেজা চোখ
নির্লিপ্ত কীটের ঘর ভেঙে যায়।
সম্পূর্ণ
দুলেনি সতেজ ঘাস মৃদুলা বাতাসে কেনেই বা ভুলেছিলো ফড়িঙেরা শালিকের মায়া, ব্যাকুলে র’লেও রবি হিজলেরসম্পূর্ণ
দু:খ দেয়ার জন্য হলেও একটু ভালবাসা দাও
ছলনা করে হলেও দাও
আমিযে তোমার ভালবাসার খুবই কাঙ্গাল
দেবে কি আমায় কিছু দু:খ ভালবেসে দুরে চলে যাওয়ার দু:খ।
সম্পূর্ণ
যে কেউ বসালে শূন্য এককের ডানে
বেড়ে হয় সংখ্যাটা নামী,
তোমার অবর্তমানে
আমার ডানেও তো শূন্য’রই মেলা
পূর্ণতার মান কেন র’লো তবে চির নিম্নগামী?
অস্থির মননে বাড়ে ফুঁসে সংশয় –
আমি কি একক নয়?সম্পূর্ণ
আবৃত হয়ে আসে বারবনিতার মতো। কিংবা সিঁদুরের কৌটায় আসে। আরও আসে প্রজ্ঞার ফুটনোট হয়ে। ট্রয়েরসম্পূর্ণ
আমিই তো দায়ী,আমিই তো দয়ী
আমারই এ বালখিল্য আত্মহনন
আমারই এ অনবধানতায় হৃদয় নিহন্থা
আজ তোমার এ কদর্য অসহিষ্ণুতা
আমিই তো দায়ী ,আমিই তো দায়ীসম্পূর্ণ