অসময়ী ভ্রম
চাঁদের আলো আমাকে পথ দেখিয়ে দেয়
রংধনু চেনায় দিশা,
হাঁটতে-হাঁটতে একদিন পৌঁছে যাই নরওয়ের টরোলটুংগা,
তবুও তোমার পাই না দেখা।
আমি নিজেকে আরও অবসন্ন, অসহায়, একা অনুভব করি। সম্পূর্ণ
চাঁদের আলো আমাকে পথ দেখিয়ে দেয়
রংধনু চেনায় দিশা,
হাঁটতে-হাঁটতে একদিন পৌঁছে যাই নরওয়ের টরোলটুংগা,
তবুও তোমার পাই না দেখা।
আমি নিজেকে আরও অবসন্ন, অসহায়, একা অনুভব করি। সম্পূর্ণ
বৃক্ষের প্রতিটি শাখা-প্রশাখায় জন্মেছে নবপল্লব,
কৃষ্ণচূড়ার রক্তাভ শরীরে সুড়সুড়ি দেয় মৌমাছির দল,
তবু মনে নেই দোলা।
এ আবার কেমন বসন্ত?
হঠাৎ একদিন বোধ করি—
অন্তরের গভীর কোণে ঝরা পাতার মর্মর ধ্বনি
চোখ মেলে দেখি—
সরষের আড়ালে প্রজাপতির লুটুপুটি।সম্পূর্ণ
অবশেষে কৃষ্ণচূড়া হোক রক্তাভ,
আম্রমুকুল বিজয় উল্লাসে উঠুক মেতে,
একুশ হোক ভাষার প্রতি ভালোবাসার ঋতু। সম্পূর্ণ
– ধর, কোনো একদিন সত্যিকারের পাখি হলি
উড়ে গেলি দূর বহুদূর।
খরকুটোয় মুড়ানো নতুন বাসা, সংসারও নতুন।
আমি কেবল তোর কিচিরমিচিরগুলো
একটা অসমাপ্ত উপন্যাসের মতো
বুকের বা’পাশে গুছিয়ে রেখে দিলাম যত্ন করে। সম্পূর্ণ
তোদের আসা-যাওয়া—
স্নিগ্ধ অথচ ক্ষয়ে যাওয়া
এই নরম হৃদয়ে রচিত
ঘৃণা আর লজ্জা।সম্পূর্ণ
এইসব চিৎকার, এইসব আর্তনাদ যেদিন পাল্টে যাবে মহালয়ার সুরে, সেদিন হয়তো কোনো এক
উজ্জ্বল নক্ষত্রের দেখা পাব আমি এবং আমরা।
সেদিন দেখব সবুজ মাঠের উপর দেবীর পায়ের ছাপ
সাদা শাড়ির লাল পাড়ের স্রোত বয়ে যায় ঘাসে,
নারী মূর্তি সাংকেতিক বার্তার মতো খোঁপার বাঁধন খুলে দিয়ে যায়
চোখে তার ভোরের নরম শিউলি ফুল ফুটে ওঠে।সম্পূর্ণ
প্রার্থনার দীপ্তিতে প্রদীপের আলো ভয়ে শিউরে ওঠে
এত পথ ফেলে এসে এই বুকে মাথা গুঁজে দেয় ঈশ্বরীর রূপ
সৌন্দর্যের তাপে বুক জ্বলে উঠে, চারপাশে শুধুই ধ্বংসস্তূপ!সম্পূর্ণ