শব্দের ওষ্ঠে চুমু
হাওয়ার শরীরে চিত্রের ঘূর্ণি আড়ালের ডাক আমাকে টেনে নেয় ভেতরের আকাশে আমি লিখি তোমাকে তুমিসম্পূর্ণ
হাওয়ার শরীরে চিত্রের ঘূর্ণি আড়ালের ডাক আমাকে টেনে নেয় ভেতরের আকাশে আমি লিখি তোমাকে তুমিসম্পূর্ণ
জল ডাকে জলকে পিরিতির ডিঙি এই ডাক চেনে বুক নদী হয় কাঁপন -গোপন ভাষা যাসম্পূর্ণ
ঝুলন্ত জ্যোৎস্না ভিখিরির কাঁথা হয়ে ঘুমায় নদী গায়ে ছিল কণ্ঠের শেষ নুপুর বাজে না ক্ষুধারসম্পূর্ণ
আয়নার গায়ে মুখোশ সেঁটে যায় মৃত্তিকা কষায়িত শিল্প শ্লোগানের পোশাকে মফ¯^ল জলবায়ুর ক্ষতচিহৃ পাতাহীন হিজলসম্পূর্ণ
বায়ান্ন, ঊনসত্তর, একাত্তর ফিরে চব্বিশের বসন্তে পিচের ভাঁজে ভাঁজে রক্তের আখ্যান চোখভরতি বিবেকী কান্না অজস্রসম্পূর্ণ
বর্ষার কালোমেঘে ছেয়ে গেছে অন্তরীক্ষ কোলাহলমুখি সারোপাখি ক্লান্তির ডানামেলে ওড়ে হলুদছায়া ফেলে দ্রুতগামী ট্রেনের ওপরসম্পূর্ণ
উদাস দুপুর ডানায় মেখে প্রেমাহত পাখি—বর্ষাধারায় হামাগুড়ি দিয়ে ওড়ে ব্যথার পালকে মরমীগাঁথা স্বপ্ন লুকিয়ে ঠোঁটেসম্পূর্ণ
পৃথিবী বদলায় বদলেরও থাকে গোপন মুখ ভেতরে রয়ে যায় একই ক্ষতের নীল মানচিত্র স্থিরতা প্রথমসম্পূর্ণ
কেবল তুমিই দেখ না অন্ধকারের ভেতরকার প্রগাঢ় বেদনা সেও তো প্রহরের অনুমিত দুঃখ কুহক রাত্রিরসম্পূর্ণ
প্রতিটা ভোরই বাসনার হলুদভেজা গোধূলি পেরোয়, অতঃপর— যাপন করে রাত্রির অফুরন্ত নিস্তব্ধতা আর—নিয়তির অন্ধকারে দীর্ঘসম্পূর্ণ
বুকের নদীতে জমেছে সন্ধ্যা রাতের ঢেউ আছড়ে পড়ে জ্যোৎস্নার দহনদৃশ্যে নিশিথের নিদারুণ ছায়া জড়িয়ে নিশ্চুপসম্পূর্ণ
একটা চু’পের মাঝে চুপচাপ বসে ভাবি; আচ্ছা মেলোড্রামাটিক নিস্তব্ধতার বিছানায় শুয়ে— আমি এত বছর ঘুমিয়েছিসম্পূর্ণ