কবিতা ও তুমি
সতীন ভাবলা কবিতারে,যহন কইলাম – রাইখা আহো বারান্দায়। তখন প্রশ্ন তুললা – ‘এই হইলো তোমারসম্পূর্ণ
সতীন ভাবলা কবিতারে,যহন কইলাম – রাইখা আহো বারান্দায়। তখন প্রশ্ন তুললা – ‘এই হইলো তোমারসম্পূর্ণ
কাল বৃষ্টির পর তোমায় দেখেছিহলুদ আকাশের বিচ্ছিন্ন মেঘেদের মতোনসাময়িক উত্তেজনায় । যেন সবুজ পাতাদের সাথেসম্পূর্ণ
একটা সুখের গদ্যহোক,সদ্য ফোটা পদ্মহোক,,স্বপ্নগুলা রঙ্গিন হোক,সুখের খুব অসুখ হোক!! একটা প্রেমের কাব্য হোক;জগৎজুড়ে বহূদসম্পূর্ণ
অনেকদিন আগে, নিজ হাতে গড়া ভালোবাসার সৌধ বার্লিন দেয়াল মনে করে গুঁড়িয়ে দিয়েছি; লাল গোলাপেরসম্পূর্ণ
প্রেমময়ী তুমি নদীর মতো-পারহও ক্রোশ শত;তোমার ভালবাসার তাল-উত্তাল আর ছন্দের মাতোয়ারা নিয়ে এগিয়ে আসো;আমি তোসম্পূর্ণ
আমি মন্দিরা বাজাই তোমায় নিয়ে একা চাঁদের পাশেআমরা দুজন বসা মধ্যরাতে অচিনপুরের দেশে। দীঘির জলেসম্পূর্ণ
মসৃণ বালুদ্বীপ বিছানো পায়ের ছাপ যেখানে নীলজল ঠেকিয়ে মাথাধুয়েমুছে দেয় আমাদের ফেলে আসা পা। কতটাসম্পূর্ণ
এই সমান্তরাল পথ,সাদা কাশফুলআর বিস্তীর্ণ জলাভূমি!তার ঠিক পিঠ ঘেষে তুমি অস্তমিত সূর্যস্ফুলন।আমি পুরো আকাশ জোড়াসম্পূর্ণ
কিন্নরী হিমাংশু, তোমার নিঃশ্বাসে জ্বলে ওঠা তারা অসংখ্য আবেগের কাছে হেরে গিয়ে অবশেষে বলেছিলো তবুসম্পূর্ণ
আমার শহরে তোমায় স্বাগতম,বহুযুগ ধরে যে শহর ছিলো নিষ্প্রাণ,নিস্তেজগ্রীষ্মের দাবদাহে প্রকান্ড মৃত্যুকূপ, নিমজ্জিত ছিলো সুদীর্ঘসম্পূর্ণ
তোমাকে মনে পড়বে,হঠাৎ করে বৃষ্টি নেমে এই শহর ভিজিয়ে দেয়ার নামে নদী ডেকে আনলে, গাছসম্পূর্ণ