মৃত দেনাদার
মহুয়ার রূপ ধরি সময়ের জালে দীঘল গল্পের পটে অক্ষরেখা ঘোরে বাতাস কি বসে থাকে পাখিদেরসম্পূর্ণ
তবুও জীবন, তুমি পিছু ছাড়ো এইবার।
সব দুঃখকে ‘না’ বলে দিয়েছি আলোকে যেমন অস্বীকার করে অন্ধকার ক্রোধে ভেজানো ভাবনার অতলায় জারিসম্পূর্ণ
বিড়ম্বনা ভোর
বন্ধুর ভালবাসা মানে অশ্রু জল স্মৃতি চোখ মানে নদীর ঢেউ তবু বন্ধু থাকে সময়ে অটুটসম্পূর্ণ
বাংলাবসন্ত
বায়ান্ন, ঊনসত্তর, একাত্তর ফিরে চব্বিশের বসন্তে পিচের ভাঁজে ভাঁজে রক্তের আখ্যান চোখভরতি বিবেকী কান্না অজস্রসম্পূর্ণ
একলা কোন অভিসারে
একদিন তোমার শহরে তখন নিঃসঙ্গ রাত আর আমার অস্তিত্ব এবং রাস্তার ইলেকট্রিক পোল গুলোতে ছেয়েসম্পূর্ণ
মাটির গন্ধে রক্ত আঁকি
শুধু আমি একাই হেটে চলেছি ডুয়ার্সের আঁকাবাঁকা শাল- সেগুনের পাতা ঝরানো পথে। আমার বাম দিকেরসম্পূর্ণ
বঞ্চনার চোখ
বঞ্চনার চোখ নিয়ে পাথরের অনুভূতি গড়ায় সেতার হেমন্তের শেষ গান বেদনার সোপানে শুধু বিষণ্নতার– বুকসম্পূর্ণ
ভেসে চলা পাথর
মিথের অন্ধত্বে চলেছে দিকভোলা কৃষ্টির নদী হাতির মতো শুঁয়োপোকাও জলের মাতালতায় বাঁচে হারকিউলাসের দুধ ছড়ানোসম্পূর্ণ
শাশ্বত চুম্বন
বর্ষার কালোমেঘে ছেয়ে গেছে অন্তরীক্ষ কোলাহলমুখি সারোপাখি ক্লান্তির ডানামেলে ওড়ে হলুদছায়া ফেলে দ্রুতগামী ট্রেনের ওপরসম্পূর্ণ