বাতাসের কানে কানে মায়ের বলা অজস্র গল্প— ভেঙে ছিলো সকল অলসতার ঘুম
বঙ্গোপসাগরের গর্জনের মতো তেঁতে উঠেছিল আমাদের বজ্রকণ্ঠ
থামাতে পারেনি হায়েনাদের বুলেট! আমরা মায়ের ভাষায় কথা বলতে
ঘুরিয়ে দিয়েছি ইতিহাস! অথচ এখন এখানে ইটের সৌধ গড়ে
সকাল-দুপুর-বিকেল-সন্ধ্যায় বাতাস কাঁপাও যতসব ভিনদেশি ভাষায়
কি যে যন্ত্রণায় জ্বলছে আত্মা আমাদের!
দোহাই মায়ের; বাংলিশ বুলেটে বিদ্ধ করো না শহীদি আত্মা!সম্পূর্ণ

যে বসন্তে বারূদ হয়ে ফোটে একদল পান্ক রকার
যার সুর ইসরাফিলের সিঙ্গার মতো ফ্যাসিবাদের কানে বাজবে, লিখা হবে তার মৃত্যু পরোয়ানা সম্পূর্ণ

ঐ ন্যায়-দূত সূর্য-সূত রৌদ্রান্তক শনি অবচেতন ঘুমন্ত ;
আর পাশে পরে রয়েছে জরাজীর্ণ অকেজো ঘুণাক্ষর ন্যায়দণ্ড।
অতএব,অচৈতন্য দেবতা আর অসার-ন্যায়দণ্ড আমি মানিনা!
আমি মানিনা কোন বিধিগ্রন্থ? বিধিমালার কোন আদেশ-নিষেধ!
আমি মানিনা ঐ ন্যায়ালয়, ন্যায় যজ্ঞ, ন্যায়-দাঁড়ি ,
সর্বমান্য ধর্মাবতার, আমি আপনাকেও মানিনা!
আমি কিচ্ছু মানিনা এবং মানতে বাধ্যও নই।সম্পূর্ণ

উদিত হোক রৌদ্রোজ্জ্বল প্রখর্য তপন।
অত্যুগ্র ঝাঁঝালো তেজের তিগ্মরশ্মি এসে পৌঁছুক –
ভীতু জনপদে, প্রত্যেক ভীরুর কপালে ফুটুক
চৈত্রের  রক্তচন্দন!সম্পূর্ণ

এবার তো খুল মুখের কুলুপ,-ওরে ভিতু!
তৈল ম্রক্ষন রেখে, দে আগুনের কাতুকুতু,
এতো দিন ধরে যা খেয়েছে,-যত দুধ-কলা লুটে-পুটে
এরা যে কালে-কালে জন্মে, কাল-চুষা কাল-কেউটে!সম্পূর্ণ

আজ শ্মশানের শব উঠেছে জেগে জ্বালাতে সকল শ্মাশান,
কে আছো বন্দি মুক্ত হতে ? শোনো রক্ত-যুগের আহবান।
কে পড়ে আছো হাতে আর পায়ে দাসত্বের অশুভ বেড়ি ,
কার গলায় ঝুলে ভীত করে রাখে মিথ্যা ফাঁসের দঁড়ি;
ভেঙে ফেলো মিথ্যার প্রাচীর,ছিঁড়ে ফেলো ফাঁসের রশি!
আজ মিথ্যার মহা-সংহার হোক,সত্যের দীপন জ্বলুক দিশিদিশি।সম্পূর্ণ