পৃথিবীর সমস্ত মৃত শিশুদের
ভূত গুলো সবাই তেড়ে আসুক
জরাজীর্ণ,নিপীড়িত গোষ্ঠী গুলো থেকে
আসমুদ্র জনস্রোত ধেয়ে আসুক
সমস্ত ভুখা মানুষের পেটের আগুনে
জ্বলুক এই ঝাঁ চকচকে পৃথিবীসম্পূর্ণ

আর ইথারে ভাসমান তড়িৎচুম্বকীয় তথ্য
সবাই সবই সমস্তই মেঘের উপর মেঘ
এই শর্মিলী সফেদ তো এই ধুসর বিষন্ন
কেবলই সময়ান্তরে বাড়ানো উদ্বেগ…সম্পূর্ণ

পহেলা বৈশাখ নিয়ে কেন হইচই
পহেলা বৈশাখ না থাকলে বাঙালিত্ব কই?
পহেলা বৈশাখ না থাকলে থাকবে না বাঙালি জাতি
পহেলা বৈশাখ বাঙালির আঁধার ঘরের বাতি।সম্পূর্ণ

সন্ধ্যার ফুলেদের বলেছি সন্ধ্যাতেই ফুটতে,না ফুটতে গভীর রাতে–
বলেছি তাদের গভীর রাত নামার আগেই বৃন্ত হতে ঝরে যেতে।
গভীর রাতে হায়না বেরোয়,গভীর রাতে নিশাচর পাখিদের উৎপাত;
সন্ধ্যার ফুল তুমি,পারবে না সহিতে তাদের দেওয়া সব নির্মম আঘাত। সম্পূর্ণ

আমি সংগ্রামী নারী সুর্যের ন্যায় আলো দিয়ে চলি,
সকল বেদনা দূরে রেখে হাসি মুখে কথা বলি।

আমি নিজ ভিটা-মাটি ছাড়িয়া অন্যের সংসার করি আলোকিত।
আমি সংগ্রামী নারী এতো সহজে হইনা ভীত।

আমি বটবৃক্ষর মতো উন্নত করিয়া শির,
আমি নারী আমি লড়াকু আমি মহা বীর।

সকাল থেকে সন্ধ্যা নিরলস করিয়া কর্ম,
আমি নারী আমি ভুলিনি নিজ নারী ধর্ম।

আমি সংগ্রামী আমি কখনো মাতৃরূপে মমতা ময়ী।
আমি নারী আমি সকল কর্মে হতে পারি জয়ী।

আমি নারী আমি যেমন সংসার সামলাতে পারি,
নিজ সম্মান রক্ষার্থে হতে পারি মহা সৈনিক অস্র ধারিনী।

আমি নারী আমি ভজিয়ে রাখতে পারি সকল বন্ধন,
আমার হাতেই গড়ে উঠে কতো নিয়ম কানুন শৃঙখল।

আমি নারী আমি দুর্গতিনাশিনী আমি শান্তির প্রতীক,
আমি নয়নে তর্জনী দিয়ে দেখিয়ে দিতে পারি কি ভূল কি সঠিক।

আমি নারী আমি অবহেলা সহ্য করে চলি শক্তি রাখিয়া মনে,
আমার ধারায় চেতনা জাগে অলিতে গলিতে জনে জনে।

আমি চাইলেই পারি এই মনে আসে যা,
আমি জানি লড়াই কিংবা পাঞ্জা।

আমি নারী আমায় দূর্বল ভাবা হবে ভুল,
আমি নারী আমি এই বিশ্বের সমতার ফুল।সম্পূর্ণ