ডাকচিঠি-৩২
হে ঈশ্বর নশ্বর মায়াজাল বুনে স্বপ্ন পূরণ করতে ভালোবাসার ঠিকানা হলদে জীবনসঙ্গী নির্বাচনে আহত হয়েছে প্রাণের টানে
অজস্র জন্ম ধরে রাখতে পারিনি তাঁকে ক্ষমা করে দিও সন্ধ্যা বেলায় পথের মোড়ে সামনাসামনি দেখা হওয়ার বেদনার সম্মুখে মতো।।
প্রেম ভালোবাসা আবেগ এবং অনুভূতির কবিতা।
হে ঈশ্বর নশ্বর মায়াজাল বুনে স্বপ্ন পূরণ করতে ভালোবাসার ঠিকানা হলদে জীবনসঙ্গী নির্বাচনে আহত হয়েছে প্রাণের টানে
অজস্র জন্ম ধরে রাখতে পারিনি তাঁকে ক্ষমা করে দিও সন্ধ্যা বেলায় পথের মোড়ে সামনাসামনি দেখা হওয়ার বেদনার সম্মুখে মতো।।
‘আর্ট অব বিউটি’ দেখেছো কোথাও?
আমি বলব দেখেছি তার মুখয়াবে
‘এসথেটিস অব ডার্কনেস’ দেখেছো কি?
আমি দেখেছি তার রেশমি চুলে।সম্পূর্ণ
মন খারাপের দিনে
কখনো একলা মনে হলে
পড়ে নিও তোমাকে নিয়ে লেখা কবিতাগুলো।সম্পূর্ণ
একবার গেলে চিল নক্ষত্রের দেশে
কখনো ধরার বুকে জানি আর পড়বে না ছায়া,
তবুও বইবে এক হিজলের ডাল
বসতো বলেই তার আজীবন দু’চোখের মায়া!সম্পূর্ণ
আমার একটা তুমি হবে
অকারণে চোখের কোনে জলের উৎস হবে
মন খারাপের আকাশ হবে
গল্প লেখার কারণ হবে।সম্পূর্ণ
নিসর্গের রাতে বুকে গেঁথে রাখি মাধবীর অমল ভালোবাসা বাতাসের সুরে,
জ্যোতির্ময় নীল ছোঁয়ায় হারিয়ে যায় আমার সকল ব্যথা গভীর নির্জনে
শ্রাবণের বৃষ্টিতে পলিমাটি প্রাণ পায় হৃদয়স্পন্দন কেঁপে উঠা আঙুলে;
নিঃশব্দে অনুভূতিগুলো জেগে উ’ঠে শতাব্দী জড়ানো ঝলোমলো শূন্যতায়
সম্পূর্ণ
ধ্রুপদী সুর এবং তুমি-আমি তেমন।
সদ্য জেগে উঠা সবুজ চর কিংবা
ক্ষুদ্র টিলার মতো যৌবনবতী তুমি।সম্পূর্ণ
জানিনা, তোমার উপচে উঠা বুকে এখনো তরঙ্গ আছে কিনা!
তবুও যে একটিবার তোমাকে ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়।সম্পূর্ণ
তোমার স্তনোস্ফীত বুক, তটিনী চোখ,
অঙ্গের তাপ
আমাকে বেশুমার ক্ষুধা জাগিয়ে দেয়!
কামরূপ-কামাক্ষার মন্ত্রবাণ-তন্ত্রবাপ
এক নিমিষেই উড়ে যায়….
সম্পূর্ণ
ইচ্ছে আমার রাত চরা পাখির মতো কল্লোলিত হবো তোমার বুকে
ঘাইহরিণীর মতো মোলায়েম অথচ প্রমত্তা পদ্মার মতো উত্তাল শিহরণেসম্পূর্ণ
বাতাসের স্বরলিপি, হৃদয় উদ্ভাসে, আরো বহুদূর সমারোহে নিঃশব্দ অলৌকিকতায়
আমরা দুজন হেঁটে যায় অপার্থিব তীব্রতায়!
সম্পূর্ণ
তুমি, আমি কোমল জোৎস্নায় হেঁটে হেঁটে বিলিয়েছি অজস্র স্বপ্ন
মনের যুদ্ধে হারিয়ছি শরীরের তৃপ্ত বাসনা, আগুন উত্থান!
সেদিন অপরিনেয় আকাঙ্খা ধংস্ব করে পবিত্র সৃষ্টির বীজ বুনতে চেয়েছিলাম!সম্পূর্ণ