অচল প্রেমের পদ্য – ০১
আছি। বড্ড জানান দিতে ইচ্ছে করে, – আছি, মনে ও মগজে গুন্ গুন্ করে প্রণয়েরসম্পূর্ণ
প্রেম ভালোবাসা আবেগ এবং অনুভূতির কবিতা।
আছি। বড্ড জানান দিতে ইচ্ছে করে, – আছি, মনে ও মগজে গুন্ গুন্ করে প্রণয়েরসম্পূর্ণ
আমাকে উস্টা মেরে দিব্যি যাচ্ছো চলে, দেখি দেখি বাঁ পায়ের চারু নখে চোট লাগেনি তো;সম্পূর্ণ
যদি যেতে চাও, যাও আমি পথ হবো চরণের তলে না ছুঁয়ে তোমাকে ছোঁব ফেরাবো না,সম্পূর্ণ
তোমার হাতে দিয়েছিলাম অথৈ সম্ভাবনা তুমি কি আর অসাধারণ? তোমার যে যন্ত্রনা খুব মামুলী, বেশসম্পূর্ণ
তোমার জন্য সকাল, দুপুর তোমার জন্য সন্ধ্যা তোমার জন্য সকল গোলাপ এবং রজনীগন্ধা।সম্পূর্ণ
কোনদিন, আচমকা একদিন ভালোবাসা এসে যদি হুট করে বলে বসে,- ‘চলো যেদিকে দুচোখ যায় চলেসম্পূর্ণ
হয়তো তোমাকে হারিয়ে দিয়েছি নয় তো গিয়েছি হেরে থাক না ধ্রুপদী অস্পষ্টতা কে কাকে গেলামসম্পূর্ণ
আজন্ম মানুষ আমাকে পোড়াতে পোড়াতে কবি করে তুলেছে মানুষের কাছে এওতো আমার এক ধরনের ঋণ।সম্পূর্ণ
প্রেমে প্রাণে গানে গন্ধে আলোকে পুলকেপ্লাবিত করিয়া নিখিল দ্যুলোক-ভূলোকে তোমার অমল অমৃত পড়িছে ঝরিয়া । দিকে দিকেসম্পূর্ণ
এই তো তোমার প্রেম,ওগোহৃদয়হরণ।এই-যে পাতায় আলো নাচেসোনার বরন।এই-যে মধুর আলসভরেমেঘ ভেসে যায় আকাশ-‘পরে,এই-যে বাতাস দেহেসম্পূর্ণ
নির্বাক মানুষের পরিচয়ে পরিচিত আজ রূপম নামের ছেলেটি,প্রেমের অরণ্য গড়ে উঠেছিলো সেখানে শুধু নিশিতাকে ঘিরে,রূপমসম্পূর্ণ
তোমার পাশে একটা ট্রাক
অদৃশ্য নোটিশ মানছি
তোমাকে দেখছি ১০০ হাত দূর থেকে
আজ পরেছো কামিজ
মেজেন্টা রঙ কামিজের উপর
বিবিধ রঙের ফুল
ফুলেদের ব্লোসম
উপর্যুপরি বসন্ত
হাওয়া ছলনা করছে
তোমার ঘ্রাণ পাঠাচ্ছে না।
১০০ হাত দৈর্ঘ্যের একটা সাঁকো পরিমাণ
দূরত্ব থেকে তোমাকে দেখছি
বিভাজন স্পষ্ট হলে
মাঝ দিয়ে চলে গেছে নদী
তোমার ওড়নায় উঠেছে ঢেউ
শব্দের মতো অদৃশ্য
তবু শব্দ পাচ্ছি নদীচরিত্রের
তোমার পাশে দাঁড়ানো নোটিসবোর্ড
তোমাকে খরস্রোতা মানছি
তোমার দিকে পা বাড়াচ্ছি না।
সম্পূর্ণ