অতন্দ্রিতা, তোমার জন্য
তুমি ভীষণ স্বাপ্নিকবার বার বেজে ওঠো তীব্র ঝংকারেআমার প্রত্যাখ্যাত বুকের ভীতর-তুমি ভীষণ শুভ্রহঠাৎ স্পর্শে জাগিয়েসম্পূর্ণ
প্রেম ভালোবাসা আবেগ এবং অনুভূতির কবিতা।
তুমি ভীষণ স্বাপ্নিকবার বার বেজে ওঠো তীব্র ঝংকারেআমার প্রত্যাখ্যাত বুকের ভীতর-তুমি ভীষণ শুভ্রহঠাৎ স্পর্শে জাগিয়েসম্পূর্ণ
তবু- যেদিন শব্দের দোকান ফুরিয়ে যাবে- তুমি কি আসবে না? বিকেলের তুলোট মেঘের মতোন, ভেসেসম্পূর্ণ
এখন আমার দিকে আর তোমার মন আগায় নাআমার হাতে রেখে হাত তোমার পা বাড়ায় না,দিব্যিসম্পূর্ণ
আমাদের পরিজন নিজেদের চিনেছিলো না কি?এই সব সংকল্পের পিছে ফিরে হেমন্তের বেলাবেলি দিননির্দোষ আমোদ সাঙ্গসম্পূর্ণ
একবিংশ শতাব্দীর কবিতার ষড়যন্ত্রকেঁড়ে নিয়েছে প্রেমিকার ঠোঁটের চুমু।কেড়ে নিয়েছে নির্ঘুম প্রেমিকের প্রেম বার্তা,উপহার স্বরূপ জমাটবদ্ধসম্পূর্ণ
তোমার-কাজল কালো চোখগোলাপী ঠোঁটসুডৌল স্তনসুগভীর নাভিঢেউ তোলা শরীরকোনকিছু’ই আমাকে আকৃষ্ট করে না, কিছুই না… শোনোসম্পূর্ণ
অন্তঃস্থল থেকেই টেনে নিয়েছে।এখন বহির্গমনের পথ বন্ধ। আদিম আবেশে পরম আয়েশে,উন্নত প্রেম স্রোত ধারায় ডুবন্ত।জোয়ারেসম্পূর্ণ
তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শতবার জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার। চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয়সম্পূর্ণ
আমি বুকের পাতায় ছবি জমাই যারতারে মুখের সামনে পাইলে কইতে পারিনা কিছুই।যার জইন্যে প্রেমের ঘরসম্পূর্ণ
ওরা বিলাসের লাগি চায় প্রেম,প্রেম মেলেনা,,খেলতে থাকে মন নিয়ে করে ছলনা,প্রেম মেলেনা।। ওরা নগ্নতায় খোঁজেসম্পূর্ণ
মানবতাবাদী নই আমি!আমি তো প্রেমিক;মাওবাদী!! আমি তো চঞ্চল দূরন্ত- দস্যুপনাকে বয়ে বেড়াই আমার শিরায়,ধমনীতে, রক্তে।।সম্পূর্ণ