ভাঙা পুলের ভাগ্য
ভাঙা পুলের উপর আমরা প্রতিদিন –
আতঙ্কের জীবন হাতে যাওয়া আসা করি।সম্পূর্ণ
জীবনমুখী কবিতা সমূহ
ভাঙা পুলের উপর আমরা প্রতিদিন –
আতঙ্কের জীবন হাতে যাওয়া আসা করি।সম্পূর্ণ
আমার নূতন প্রভাত আসে প্রতিদিন
উন্মুক্ত বাতায়নে।
শীতল হাওয়ায় রবির ছটায়
মোর আঁখির আলাপনে।
সম্পূর্ণ
একটা ভাবনার উদ্রেক ……… তোমায় দেখেছি ভিয়েতনামের পথে শান্তি মিছিলে শ্লোগানের রাস্তাতে দুর্যোগে গেছ খাদ্যেরসম্পূর্ণ
দুঃখ? দুঃখবোধ নিয়ে বিলাস করেন গল্পে রাজা
ধনকুবেরের দুঃখে কাঁদে দেশ, দিল্লির কোকিল–
কাক নয়, পক্ষী নয় আর কাঁদে ব্রাষ্মণ শকুনি ।
যেখানে দাঁড়াই, দেখি, ভুল দাঁড়িয়েছি ।সম্পূর্ণ
** অরাজনৈতিক চুম্বন** ©আজিজুল হক যারা ইতিমধ্যেই চুম্বনের অপরাধে মৃত্যুবরণ করেছে, তাদের নিরাপত্তা বিধানে সমস্তসম্পূর্ণ
অন্ধকার যতো ঘন গাঢ় হয় চেনা চেনা মুখ থেকে ততো খসে খসে পড়ে মনোরম মুখোশের নির্যাস
মুখোশহীন মুখগুলো তখন বড় বিশ্রী বিশ্রী লাগে,
অচেনা অচেনা লাগেসম্পূর্ণ
দেখো- বেহাগের রঙে, সমস্ত অঙ্গে
সময়ের তরজমা চলে।
কোথাও যায় না কেউ,
স্থির হইয়া শুধু
পথের ঠিকানা বলে।সম্পূর্ণ
**যারা ভালোবেসেছিল** ©আজিজুল হক একটা বিড়ি হবে, বিড়ি? আমায় দেবে? আমি একটা দেশলাইয়ের কাঠিতে তাসম্পূর্ণ
পরলোকে চলে যাওয়ার অভিমানে প্রেমহীনতার গণ্ডি ছেড়ে-
কেউ জানে না প্রয়াতদের মিছিল আমার আকুঞ্চিত সত্তা নাড়ে।
কেউ জানে না কোলাহলে বিষাদ আমার আরও বাড়ে নিয়ম করে,
সুদ-মুনাফার নিয়ম মেনে দিনগুনা ঋণ শেষ না হলেও নতুন কোনো ভোরের পরে-
তোমার আমার স্বপ্নঘেরা জীবননদী হঠাৎ যেন শুকিয়ে মরে,
কেউ জানে না, কেউ থাকে না নিজের পরম ‘আপন’ বলে।
মানুষ যখন বিস্তর প্রশ্নের ইতিহাস আর অজানা উত্তরের দর্শন পড়ে ক্লান্ত হয়,
তখন সহজ সূত্র মিলে যাওয়া বিজ্ঞানকেই ঈশ্বর ভেবে প্রশান্তি পায়।সম্পূর্ণ