সমুদ্রে পড়লে নক্ষত্র (অনু)
হারায়ে স্বপ্নের বল রজনীর ঘোরে
আহত নক্ষত্র এক লোনা জলে খসে পড়ে যদি,
থাকে না অতল সেই সমুদ্রের বুক
নীরবে আঘাত সয়ে জেগে রয় হয়ে মরা নদী!সম্পূর্ণ
বিরহের কবিতা সমূহ রয়েছে এখানে।
হারায়ে স্বপ্নের বল রজনীর ঘোরে
আহত নক্ষত্র এক লোনা জলে খসে পড়ে যদি,
থাকে না অতল সেই সমুদ্রের বুক
নীরবে আঘাত সয়ে জেগে রয় হয়ে মরা নদী!সম্পূর্ণ
ঘুমের ঘোরে বসেই দেখি স্তব্ধ হিজল তলে,
যাচ্ছে ভেসে কপাল আমার আধলা নদীর জলে!
পড়লো পাশে আকাশ থেকে একটা তারা খসি,
কেউ দ্যাখেনি সাক্ষী শুধু কণ্ঠ হারা শশী।সম্পূর্ণ
অবেলা ও’ পথে গেলে হাঁটবার ছলে
পেলেই কুড়িয়ে নিই ঝরে পড়া ফুল,
ভালোবাসি বলে সখী তোর কথা ভেবে
আজও করি বেখেয়ালে চেনা এই ভুল!সম্পূর্ণ
বিকেল হলেই নিরজনে বসে দু’চোখের নীরে ভাসি, দিবি না রে সখা একবার এনে শাপলা ফুলেরসম্পূর্ণ
একটি কথা-ই শুধু চেয়েছিনু পেতে গোধূলির মতো যার বুকে রবে সুকোমল ধারা, অতল বন্যার জলেসম্পূর্ণ
অনেক লিখেছি আমি ও’ পথের কথা
লিখেছি অনেক গান শালিকের গাইতো যা সেম,
বুঝতে চেয়েও কিছু পারবে না কেউ
জানবে না কোনদিন
ক্যামনে পাঁজরে জাগে হেম।সম্পূর্ণ
সরষে ক্ষেতের পাশে ছাগলের ছল চোখেই পড়ে না আর, ক্ষণকাল দেখেছো কি তুমি? বাহারি শীতেরসম্পূর্ণ
একটানা একুশ ঘন্টা সিলিং থেকে ঝুলে ছিলো প্রেমিকা, ক্রুশবিদ্ধ যিশুর মতো বেদনার্ত একজোড়া চোখ বুঝেসম্পূর্ণ
একদিন শেষ হবে জীবনের খেলা, হয়তো ভাববে বসে গোধূলির বেলা। উড়ে যাবে মাছরাঙা ঠোঁটে নিয়েসম্পূর্ণ
নক্ষত্রের আলো নামে পৃথিবীর দেহে
পৃথিবীর ছায়া যদি অনুরূপ যেতো ওই দেশে,
হয়তো কারোর বুক অগোছালো পেয়ে
কার্তিকের বেনোজল ঘুরতো না ক্ষণকাল এসে!সম্পূর্ণ
হাজার বছর আমি করলাম গত পৃথিবীর এই বুকে পেয়েছে কে এতো আয়ু? একশত বছরই তোসম্পূর্ণ
অভাবে আমার ঘর জ্বলে পুড়ে ছাই তবে এ আগুন লাগা তো সে আগুন লাগা নয় !
এটা মানুষে মানুষে বিবেকের আগুন লাগার নাম বলে থাকে লোকে
এটাকেই অন্যভাবে বলে দগ্ধ হয়ে যাওয়া।
হেমন্ত কি ক্ষয়ে গেছে জানো মধুরিমা? ঢেঁকির শব্দই আজ আসে না যে তৃষ্ণার্ত দু’কানে! চাঁদনীসম্পূর্ণ