হারিয়ে গেলো অনেক বছর
দুলেনি সতেজ ঘাস মৃদুলা বাতাসে কেনেই বা ভুলেছিলো ফড়িঙেরা শালিকের মায়া, ব্যাকুলে র’লেও রবি হিজলেরসম্পূর্ণ
দেবে কি আমায় কিছু দু:খ?
দু:খ দেয়ার জন্য হলেও একটু ভালবাসা দাও
ছলনা করে হলেও দাও
আমিযে তোমার ভালবাসার খুবই কাঙ্গাল
দেবে কি আমায় কিছু দু:খ ভালবেসে দুরে চলে যাওয়ার দু:খ।
সম্পূর্ণ
শূন্য’র মান
যে কেউ বসালে শূন্য এককের ডানে
বেড়ে হয় সংখ্যাটা নামী,
তোমার অবর্তমানে
আমার ডানেও তো শূন্য’রই মেলা
পূর্ণতার মান কেন র’লো তবে চির নিম্নগামী?
অস্থির মননে বাড়ে ফুঁসে সংশয় –
আমি কি একক নয়?সম্পূর্ণ
ক্যানিবাল ফিস্ট
আবৃত হয়ে আসে বারবনিতার মতো। কিংবা সিঁদুরের কৌটায় আসে। আরও আসে প্রজ্ঞার ফুটনোট হয়ে। ট্রয়েরসম্পূর্ণ
আমিই তো দায়ী
আমিই তো দায়ী,আমিই তো দয়ী
আমারই এ বালখিল্য আত্মহনন
আমারই এ অনবধানতায় হৃদয় নিহন্থা
আজ তোমার এ কদর্য অসহিষ্ণুতা
আমিই তো দায়ী ,আমিই তো দায়ীসম্পূর্ণ
খুঁজে এক গোধূলির হাসি
সময় চলেছে ধেয়ে স্রোতের মতোন অনন্তের বুকে যেয়ে মিশে যেতে, শাশ্বত এ’ খেলা, সবাই তোসম্পূর্ণ
সত্যি নিজেকে বড় দুখী মনে হয়!
বসলে নদীর বাঁকে মিঠা কথা স্মরি, আশারা সাজতে চায় পাল তোলা তরী। ছোট ছোট ঢেউগুলিসম্পূর্ণ
শতাব্দীর বিশ্বাস
আমার জামানো স্বপ্নগুলো অল্পতেই হলো অপমৃত্যু, স্বপ্নমাঝে রাখা আমার বিশ্বাসটটুকু আর ফিরেনি কভু। বিশ্বস্ত হৃদয়মাঝেসম্পূর্ণ
নারী ও বহমানতা
তুমি নারী ও স্রোতস্বীনি অবিচল তোমার বহমানতা প্রকৃতির নিয়মে মাঠের প্রান্তরে সংসার পেতেছো, নারিকেল গাছেরসম্পূর্ণ
আমি আর আসবো না ফিরে!
জমলে শালিক এসে মায়াবিনী বাটে, মাতবে ছোটুর দল টলটলে ঘাটে। ফড়িঙের ভীরু মতি সাজবে হাঁসেরসম্পূর্ণ
বন্ধুর প্রতীতি
যেন কোনো অন্ধ কানাগলির বুক চিরে
ছুটছি তো ছুটছিই, ছুটছি অকাতরে
কিসের উদ্যমে কিংবা অতঙ্কে ছুটছি ?
কিসের খোঁজে নিরবচ্ছিন্ন হাতরাচ্ছি ?
উফ্…, কী ভীষণ অস্বস্তিকর এই অজ্ঞতা
কী ভীষণ নির্মম এই বুদ্ধিবৃত্তিশুন্যতাসম্পূর্ণ