কথা শান্ত হয়ে এলে
নেক যন্ত্রনা পুড়ে – সুখের কাঁটার ঘন জ্বালে – জমে খালি দুই ফোঁটা স্মৃতি,
বোধহয় কবিতা হয়, বোধহয় – সে কথা সে বলেনি কখনো –
যুথবদ্ধ ভাঙা পয়ারের দল, মৌন, মাগরিবের সময় তো হয়নি তখনও !সম্পূর্ণ
নেক যন্ত্রনা পুড়ে – সুখের কাঁটার ঘন জ্বালে – জমে খালি দুই ফোঁটা স্মৃতি,
বোধহয় কবিতা হয়, বোধহয় – সে কথা সে বলেনি কখনো –
যুথবদ্ধ ভাঙা পয়ারের দল, মৌন, মাগরিবের সময় তো হয়নি তখনও !সম্পূর্ণ
এখানে আর কোনো সংশয়ই নেই, জেনো ঐখানে বরফের প্রাচীর, শক্ত কাঠ, মরা পাইনের কান্ড, ডাস্টবিনেসম্পূর্ণ
কোন শালা বলে – এটা নাট্যশালা, এটা গুরুকূল !
গুরু কূলে দেখ কেমন কুলুকুলু বান !সম্পূর্ণ
তারও নীচে যা যা আছে
সেগুলো সবই বাড়তি, ক্ষুধা আর ক্ষুধায় আগুন
সে আজ না ঘাঁটলেও চলবে !সম্পূর্ণ
এতো বলি শুনিস না যে, কবিতা অনেক হলো
দিনে দিন নাহয় স্বাধীন, এবারে তো সন্ধ্যে হলো !
যা বলি তাই তো হবে, যা কই তাই তো ক’বি !
রাত হলে আমিই তো বাপ, বাপের বাপ আমিই কবি !সম্পূর্ণ
ঈশ্বর নামের একজন অতি বৃদ্ধ কবিকে প্রধান ষড়যন্তকারী চিহ্নিত করে,
সমস্ত কেজো মানুষকে অকেজো,ভাবুক, স্বপ্নবাজ এবং সৃষ্টিশীল করার অপরাধে –
অনিশ্চিতকালীন নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে গভীর রাতেই সম্পূর্ণ
ছোঁও, ছুঁয়ে দাও আমার এ বুক,
শান্ত করো, সারাও এ উন্মাদের ছোটার অসুখ !
ছুঁয়ে দাও, ওই হাতে, পরাস্ত বিপন্ন নাবিক-
হারালে হারাক যত দিকভ্রষ্ট চেনবার দিক ! সম্পূর্ণ
– ওরা ওর নাম সমস্ত জায়গা থেকে মুছে দিতে চেয়েছিল,
তাই বৃষ্টিধারা বর্শার ফলকের মতো, মাঠে ঘাটে প্রান্তরে
সশব্দে আছড়ে পড়ে লিখছে ওর নাম, যেন লক্ষ মানুষের নির্ঘোষ !সম্পূর্ণ
সর্বনাশা ভালোবাসা প্রেম চায় ঈশ্বরের চোখ, আমরণ !
তোমার জানুতে বসে, ঈশ্বর একদা এসে, অবশেষে,
ভিক্ষা করে নেবে বলো অনন্ত জীবন !সম্পূর্ণ
মহীন একি ! ঘোড়া যে সব, কখন মরে কাঠ !
কেমন করে, কে খেল এই সোনা দেশের সোনার রাজ্যপাট !
ওহো ! মহীন তোমার ঘোড়াগুলি —
এখন যে সব অচল, সব নকল !
মহীন তোমার ঘোড়াগুলি কাঠের !
কেমন করে ভাঙবো আমি ভয়ের কেল্লা –
কেমন করে পার হবো এই মারের সাগর, তেপান্তরের মাঠে ?
সম্পূর্ণ