তুমি আর আমি
আছি দূরে বহুদূরে
তবুও বৃষ্টি ঝরে
তোমার আমার দেখা হলে।

প্রেমের চিঠি
খোলামেলা নীলাকাশ
আকাশের কোণ থেকে তারা নেমে
আমার হৃদয়ের খামে জমে।।
সম্পূর্ণ

একদিন সমস্ত প্রেমিকারা
কালী পূজার উপবাস করে-
অমাবস্যার নিশিরাএ চারিদিকে অন্ধকার জমে;
সমস্ত প্রেমিকেরা তখন অঞ্জলীর মন্ত্রে
প্রাক্তন প্রেমিকদের খোঁজে-
এদিকে সমস্ত পেঁচা পাখি ওত পাতিয়া থাকে
অশ্বন্থের ডালে ডালে, তাঁদের প্রেমিকাদের খোঁজে।

সম্পূর্ণ

আমার এই শহর কবিতার প্রহর
ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ঝরে পড়ে এখানে।
শব্দেরা সব ক্ষোভ প্রকাশ করে
ভিজে যাওয়া তারার মাঝ থেকে-
নক্ষত্র রাত্রি আমার কালো রাত
উপন্যাসের পাতা শেষ অধ্যায়
স্মৃতির চাদর জোনাকির আলো
হাজার বছর শেষ হয়ে কেটে যায়।
সম্পূর্ণ

পুরানো পৃথিবী,আমারো পুরানো ডাকচিঠি
শেষ কবে লিখে ছিলাম আমি!
প্রণয়ীরা আসে জাগে যখন নীলাকাশ
তোমার ওপর প্রতিম স্বাদ
একটুকরো চাঁদের দুনিয়ায়।
পৃথিবী ঘিরে স্থিরতর জীবন
আমার অজস্র ভাবনা
সময়ের হাত হতে বেঁচে রয়।
সম্পূর্ণ

এদিকে গ্রাম ধীরে ধীরে শহরে পরিণত হয়েছে
একদিন আমার প্রাক্তন প্রেমিকা—
নতুন শহরের রাজপথে
আমার অপেক্ষাতে!
তারপর কেটে গেলো বহু বছর
আমার কাহিনী শেষ পাতায় সমাপ্ত।
সম্পূর্ণ

বৃষ্টি নামলো আমার শহরের
রাজপথে পথে উঁচু উঁচু অট্টালিকায়,
মনে হচ্ছে এক নিস্তব্ধতার বিকাল এখানে।

আজ সকল প্রেমিকেরা
তাঁদের প্রেমিকাদের অপেক্ষায়
নক্ষত্রের জল গায়ে মাখে।

অপেক্ষায় থাকতে থাকতে
প্রেমিকেরা আমার শহরের পথে
একটি এক পশলা বৃষ্টির অপেক্ষায়।

সম্পূর্ণ

নক্ষত্র রাত্রি বিচ্ছেদ দুনিয়া
সময়ের হাতে বেড়ে উঠে
নিরবিচ্ছিন্ন আলোর নির্বাপণ।
আজ থেকে বহু বছর আগে
যে যে শহর গড়ে উঠে ছিল
ঠিক শতযুগ পর সেই সেই শহর
নির্ভয়ে মাটিতে লুটিয়া যাবে
সৈন্য দলের অভাবে।সম্পূর্ণ

অনেক রাত্রি নিশাচর হয়ে
নীহারিকা নুইয়া পড়ে
নীলিমা খাতার উপর।
নিসর্গ নিস্তেজ নীপে-
আমি নির্বোধ হয়ে
এঁকে যায় যুদ্ধের মানচিত্র।
জানি আমি একদিন যুদ্ধ হবে পৃথিবীতে
আজকে থেকে উঠে এসে ঠিক অন্য যুগে।

সম্পূর্ণ

নক্ষত্র ঘুমহীন
জড়াতে চাইনা যুদ্ধে;
এখন তো অনেক রাত্রি
স্যাটেলাইট্ – এর দুনিয়ায়।
মাঠে মাঠে শুকনো পাতা
এদিক-ওদিক ওড়া-উড়ি করে
বিভোর দৃষ্টিতে চেয়ে আছি
যদি আগুন লাগে।
সম্পূর্ণ

আমি চাই যুদ্ধ হোক
যুদ্ধ হোক মানুষে মানুষে টিকে থাকাই
লেখার কলম আনুক শান্তির বাণী
তবুও যুদ্ধ হোক জনসংখ্যার বিরুদ্ধে;
একদিন পৃথিবী ধ্বংস হবে মানুষের চাপে
অপরাধপ্রবণতা বাড়বে আর শুরু হবে গৃহযুদ্ধ
হয়তো আগামীতে বা অন্য কোনো এক যুগে-
ঠিক এখান থেকে উঠে এসে,যদি পড়ি
অন্যযুগের মানুষের অত্যাচারে।সম্পূর্ণ

তোমাকে দুর্ভিক্ষের আগুনে পুড়তে দেখেছি,
মেশিনগানের বুলেটে দেখেছি স্বাধীনতা
তুমি আসবে বলে এ স্বাধীনতা;
হৃদয় কাঁপানো রক্তের নদী বেয়ে
হে স্বাধীনতা তুমি এসেছো,

আমার হাড়-ভাঙা পাঁজরে ফুটে উঠেছে
রক্তে লেখা নাম ভারতবর্ষ।
ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা মেলে ধরবার জন্য হে স্বাধীনতা;
তোমাকে ভারতবর্ষের প্রতিটি মানুষের ভালোবাসা
পাওয়ার জন্য এই স্বাধীনতা।
সম্পূর্ণ