অনাহারী ঈশ্বর
ঘুমন্ত নিরেটের বিকট চিৎকারে ভাংলো– ঘুম। ঈশানী বিছাতুবক্ষের অলী নীল আলপনায় আঁকতে চেয়েছে সোডিয়ামবিশ্ব। ফুঁপিয়েসম্পূর্ণ
চলমান প্রেক্ষাপটে লেখা সমসাময়িক কবিতা গুলোর জন্য এই পাতা।
ঘুমন্ত নিরেটের বিকট চিৎকারে ভাংলো– ঘুম। ঈশানী বিছাতুবক্ষের অলী নীল আলপনায় আঁকতে চেয়েছে সোডিয়ামবিশ্ব। ফুঁপিয়েসম্পূর্ণ
আমি সুহাসিনীকে চিনতাম না।অবশ্য, সুহাসিনী আমায় চিনতো। আমি জানতাম, সুহাসিনী কবিতা ভালোবাসতো!সুহাসিনী!অবশ্য, বাসায় নাকি সবাইসম্পূর্ণ
তথাস্তু বলিয়া নহে যথাস্থ!হচ্ছি দিবারাত্রি পরাস্ত,দিব্যজ্ঞান সব হাঁকিয়াছে শাস্ত্র,বিপদসীমা হইয়াছে মস্ত! বলাতে, চলাতে সর্ব বাক্যেইসম্পূর্ণ
জীবন থেকে পালিয়ে আর কতদূর যাওয়া যায়!একটু সামনে গেলেই রেল স্টেশন, তারপর রেলগাড়ি!এরপর?কু ঝিকঝিক শব্দেসম্পূর্ণ
দাদা, আমি এক মূর্খ্য-সূর্খ্য মানবক,খ, এইটুকুতেই হোঁচট খাই,সাদা-সিধা কাঙালি আমি,কোথায় যে ভাত চাই! আমারি ঘরেসম্পূর্ণ
আমাদের জীবনগুলো যাচ্ছেতাইভাবে যখন-তখন চুরি হয়ে যাচ্ছে,প্রথমে চুরি হয়েছিলো মায়ের ভাতের থালা আর আলসেমীমাখা দুপুর,বাবারসম্পূর্ণ