চোখে বিবশ রজনী
নদীর মোহনায় ছুঁটে পথ হারায় কত পথিক
তার সংখ্যা বেহিসেবী।
মোমবাতি প্রদীপ নিজে জ্বলে অপরকে আলোয় ভরায়
যেমন ভাবে সূর্য আলোয় ভরায় পৃথিবীকে – তেমনি।
একঝাঁক পাখি ওড়ে আকাশের পথে
সবে মাত্র ডানা হারানো পাখিটিও তাঁদেরকে দেখে উড়তে স্বাদ জাগে
এইতো কয়েকদিন আগে সেও উড়ে বেড়াতো স্বাধীন হয়ে
আজ নিঃস্ব – নগণ্য – হীন
শুধুমাত্র সময়ের ব্যবধানে করুণ পরিণতি পাখিটির।সম্পূর্ণ

এমন ধরনের গুন্ডামি ভন্ডামি আমরা করেছি এবং করব
আমরা এক যুগ ধরে মানুষ মেরেছি আগামীতেও মারবো
আমরা করেছি লুটপাট, আমরা করেছি নিরীহ মানুষের ওপর চোটপাট
আমরা এভাবেই চলবো, আমরা এভাবেই থাকবো ফিটফাটসম্পূর্ণ

ধীরে ধীরে সরে যায় বিকৃত ছায়া
মৃত্যুর চোখে জল
অপুষ্ট ক্ষয় আঘাত পরিপূর্ণ কথা শোনায় অপরাধ
নৌকার রঙে হাসি নেই কিংবা মানুষ অবিদিত
চাওয়ার ফুলে উজ্জ্বলতা থাকে না প্রহরের তিথি নিস্তেজ।
সম্পূর্ণ

আলো ঝলমল হবে যে দুপুর
রিনি রিনি রিনি বাজবে নূপুর,
ভ্রমর গুলির গুঞ্জন ধ্বনি
ফুল হতে ফুলে রণিত হবে।

দিন আমার আজ কেমন হবে?
হরষে বিরসে ক’রে মাখামাখি
দিনকর পাটে অস্ত যাবে।।
সম্পূর্ণ

পৃথিবীর মাটি ভেজে সর্বহারা মানুষের চোখে
আমরা বহুযুগ মানুষ ছিলাম না বোধহয় !
যেমন কত যুগ অপেক্ষা করলে জীবাশ্মের সৃষ্টি হয়
– তেমন অপেক্ষার মানুষ ছিলাম আমরা।
আলোছায়া পৃথিবীর পথ একদিন মানুষহারা হবে
চেতনার প্রহর জ্ঞানে
আর হারিয়ে যাবে শহর নিখোঁজ সমুদ্দুরে।।
সম্পূর্ণ

পড়ো। পতনপ্রেক্ষায় ছায়া রেখে
আমাদের উত্তেজিত করো
সমুদ্রের পুনর্ভরঙ্গ ফিরিয়ে আনলে তুমি
বিশ্বস্ত শ্বাস আগুন জ্বালাবে

আমরা কোনো পূর্বতন মার্জনা করবো না।সম্পূর্ণ

রিত্যাগ লাঞ্ছিত অবমাননা
দীর্ঘ মুহূর্তে হারিয়ে যায় সব রাতের তারা
পথ খুঁজে পায় না যোগ্য অধিকারে।
দোআঁশ মাটির গন্ধ বিষাক্ত সারের তেজ
উপযুক্ত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে চারিপাশে
মনে হয় নিতান্ত কাল ধরে আমি তাই চেয়েছি
এই পৃথিবীর বিষণ্ণ দুপুরে রোদ আর মেঘের মেলামেশা।

অজস্র রজনীর দ্বার খুলে তিলোত্তমা নগরী ব্যস্ত বিশাল সমুদ্র আকাশ মরু বেদনা
সুশীর্ণ স্মরণে শোক থাকে না
মিথ্যা খেদ মানুষের মনে বিস্তার করে।

সম্পূর্ণ