বাংলাবসন্ত
বায়ান্ন, ঊনসত্তর, একাত্তর ফিরে চব্বিশের বসন্তে পিচের ভাঁজে ভাঁজে রক্তের আখ্যান চোখভরতি বিবেকী কান্না অজস্রসম্পূর্ণ
একলা কোন অভিসারে
একদিন তোমার শহরে তখন নিঃসঙ্গ রাত আর আমার অস্তিত্ব এবং রাস্তার ইলেকট্রিক পোল গুলোতে ছেয়েসম্পূর্ণ
মাটির গন্ধে রক্ত আঁকি
শুধু আমি একাই হেটে চলেছি ডুয়ার্সের আঁকাবাঁকা শাল- সেগুনের পাতা ঝরানো পথে। আমার বাম দিকেরসম্পূর্ণ
বঞ্চনার চোখ
বঞ্চনার চোখ নিয়ে পাথরের অনুভূতি গড়ায় সেতার হেমন্তের শেষ গান বেদনার সোপানে শুধু বিষণ্নতার– বুকসম্পূর্ণ
ভেসে চলা পাথর
মিথের অন্ধত্বে চলেছে দিকভোলা কৃষ্টির নদী হাতির মতো শুঁয়োপোকাও জলের মাতালতায় বাঁচে হারকিউলাসের দুধ ছড়ানোসম্পূর্ণ
শাশ্বত চুম্বন
বর্ষার কালোমেঘে ছেয়ে গেছে অন্তরীক্ষ কোলাহলমুখি সারোপাখি ক্লান্তির ডানামেলে ওড়ে হলুদছায়া ফেলে দ্রুতগামী ট্রেনের ওপরসম্পূর্ণ
বিপরীতমুখী
তোমার শুধু আভিজাত্য, ঔদ্ধত্যে চলাচল তোমার থাকুক অট্টালিকা, আমার মফস্বল।সম্পূর্ণ
কিছু গল্পের নাম থাকে না
মনে পড়ে নীলাভ, কতদিন পর তোমায় দেখলাম! বিশ্বাস, কর, প্রথম দেখায় চমকে উঠেছি, বলতে গেলেসম্পূর্ণ