লাল ফিতার দৌরাত্ম্য
পেনশনভোগী জীবন যেন যাবে ভালো মোর, দিনগুলো যে কাটবে ভালো দেহে পাবো জোর। সেই ভাবনায়সম্পূর্ণ
আগামীর দস্তখত
শিশু জন্ম নিল, এ শিশুর জন্ম লগ্নে বাঁজেনি কোন শঙ্খধ্বনি কিংবা দূর থেকে ভেসে আসেনিসম্পূর্ণ
বিষাদ সিন্ধু
কয়েকটা সভ্যতার পতন দেখেছি আমি.. ইনকা, মায়া থেকে মেহেরগড়, সিন্ধুতে নবজন্ম আমার! অজস্র শুন্য বসন্তসম্পূর্ণ
এক কোটাধারীর আত্মকথন
মেধার কি আর আছে রে দাম–
আমার কোটার কাছে,
ফুলেল এই দিন আমার,
কোটা বিরোধীর কবর রচে!সম্পূর্ণ
সভ্যতার অন্ধ প্রেত
আততায়ী চোখে জিজ্ঞাসা নেই
কুর্নিশহীন কন্ঠে উচ্চারিত হয় বর্বরতা দেখিয়ো না মৃত্যুফাদ—
গ্যাসোলিনের আগ্রাসনের মতো পৃথিবীর সকল যন্ত্রণাকে গিলে খাচ্ছি—
আমাকে অভ্যর্থিত করো।সম্পূর্ণ
শান্তির ইশতেহারে কবিতা
পুরনো পাপ মুখে তুলে ধরে বিষের পেয়ালা—
বেঁচে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করি ওরা প্রতিবাদ করে
আকাশ স্পর্শ কোরবার ইচ্ছে হয় পাখিরা বিদ্রোহ শুরু করে—
যেহেতু অন্যের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ অপরাধ।সম্পূর্ণ
খুন হবার মুহুর্তে
পৃথিবীর শরীর থেকে লাশের স্তুপ সরাতে যে সত্তা নিজের হৃদপিন্ডে প্রস্তত করে রক্তমশাল—সেও কোনো একদিন খুন হয়ে যায় আততায়ীর ধুরন্ধর চোখে।সম্পূর্ণ
তোরা বিদায় নিলে শান্তি পাব
এরা দল বোঝেনা; এরা ডাল বোঝে
এরা মন্দা খোঁজে না; এরা ধান্ধা খোঁজে
এরা যে দলে যাবে; সে দলেই শুধু খাবে
খাওয়া ছাড়া এদের কোন- -ও – – -ও- – -কাজ নেই
এদের তো এমন দুর্গতি হবেই- – – -ই- -।সম্পূর্ণ
সাজানো কবর
সোনার বাঙলায় সুখ আজ মৃত পথ-প্রান্তর প্রাণহীন নিস্তব্ধ, মধ্য রাত্রের আঁধারে নিমজ্জিত প্রতি মুহুর্ত কাটেসম্পূর্ণ
জানি না
সবই তো এমন অযথাই ঝড় বৃষ্টি ডাকো
সরে গেলে আত্মিক ছায়া
উঠোন’টা এলোমেলো লাগে, শয্যাময় রৌদ্র তামাসা
মনে হয় মূর্ত থেকে উঠে গেছি আমি
একটি পুরুষ তার রৌদ্রগাহ মুখ,দাঁড়ি, চুল প্রখর জিলেট
এখনও রাখা কৌমের ভেতর
সে-ই শুধু তোরঙ্গ বদলায়, একা এক মাঠ
পরে
নি:শব্দে পেয়েছে দেখো কি জটিল
জৈবিক মূর্ছণা, সরে গেছে আত্মিক পিপাসা
ক্ষুধা তেষ্টা সর্বৈব অধ্যায়
চিরন্তন আমি অগোচর বৃষ্টিহীন শ্রান্ত ধূসর
ডাক দেও সর্বৈব আত্মিক
টেনে তোল জীবের ভেতর ,ও ধারে কর্তিত কোন
জীবাংশের দেহ, পূর্ণ তত্ত্ব রেখে দাও
বুকের ওপর,দেখে যাও নিসর্গিক ফলসা জগৎ।