শূন্য
মুহাম্মদ শাফায়াত হুসাইন

প্রেমানলে পুড়ে ভস্ম আমি দগ্ধে শূন্য,
মন যে খণ্ড বিখণ্ড ফোঁড়ায় বিদীর্ণ
পায় সর্বহারা দণ্ড দেহ জরাজীর্ণ
ঐ মনের মানুষ কে পাওয়ার জন্য।

হৃদয় চুর্ণ বিচূর্ণ দিদার এ দৈন্য
প্রেমহীন রিক্ত মনে প্রাপ্ত আশা ক্ষীণ
আশাবাদি চেয়ে রয় দিয়ে প্রেম শীর্ণ
হেরিলে জুড়ায় হৃদ হবে মন ধন্য।

শূন্যের যে নাহি রয় বিয়োগের ভয়
ভাগে ক্ষুদ্র হওয়ার নাহি থাকে ডর
গুণ দিয়ে বৃদ্ধি নয়, শূন্যই যে হয়।

গুরু কৃপা দিলে হবে যোগ দয়াময়
নবী দর্পনে দর্শন প্রভু নিরালয়
তবে স্বস্তিময় ধরা মোর মাটি গোর।

১৪-০৫-২৩সম্পূর্ণ

“২৫ জানুয়ারি,আমার জীবনের এক স্মৃতিময় দিন,
যেদিন আমি তার নয়নসাগরে হলাম বিলীন।
সে মাস্ক পড়ে নিজের চেহারা রেখেছিলো আবৃত,
কিন্ত তার দুচোখ আমায় করেছিলো আকর্ষিত।
মায়াবী তার আঁখিযুগল হ্রদয়কাড়া তার চাহনি,
তার রুপে বিমুগ্ধ হয়ে নজর সড়াতে পারিনি।
সম্পূর্ণ

নীরুবালা—তুমি আমার থেইকা যেভাবে মুখ ফিরাইয়া নিলা
আমার মনে চায় আবার মরতে
নীরুবালা—তুমি কী কখনও আমার কাছে আইবা না
পাশে বইসা দুই একটা কথা কইবা না
আগেকার কথা মনে কইরা আমারে ঝাটকি দিবা না
নীরুবালা—আমার মনে চায়
দৌড়াইয়া তোমার কাছে চইলা যায়
কিন্তু আমার তো হাত–পা–ঠোঁট সব বান্ধাসম্পূর্ণ

ঘুমশিশুর আগমনে মৃতদের উল্লাস,
বেজে ওঠে বিচ্ছেদের সাইরেন,
বাস্তবতার এক অসম্পৃক্ত মিশ্রণে কেউ কেউ সত্য প্রেমপত্র হাতে দাঁড়ায় জনসমুদ্রের তীরে,
ডাকে সেই কাকের সুরে,সেই কালো কাক,
শহরের সমুদ্রে যার নিষ্প্রভ বিচরণ,
প্রেমের আহ্বানে শুনতে পায় মৃত্যুর গানসম্পূর্ণ

পূরবী—তুমি দেখে নিতে পারো সবকিছু
বৃত্তের কেন্দ্র–শিশির কণা–করোনারি ডিজিস–প্রবাল দ্বীপ
আধ্ খাওয়া সিগারেট কিংবা ঘন হয়ে আসা চোখের নীল অন্ধকারসম্পূর্ণ