পুরুষ হও দৃঢ়
পুরুষ হও দৃঢ়
বৃত্ত সেরে ফিরে যাওয়া আজও
ছত্রাকার,একরাশ জমাট হতাশা
দিব্য দিয়ে ঢেকে রাখি সেই পর্বগুলো
একটি বিন্দু রাত্রি তার
সাগর সমান, হে যুবক পুরুষ হও দৃঢ় !
পুরুষ হও দৃঢ়
বৃত্ত সেরে ফিরে যাওয়া আজও
ছত্রাকার,একরাশ জমাট হতাশা
দিব্য দিয়ে ঢেকে রাখি সেই পর্বগুলো
একটি বিন্দু রাত্রি তার
সাগর সমান, হে যুবক পুরুষ হও দৃঢ় !
চলে গেছে যারা শুধুই মতিভ্রম
প্রশ্নচিহ্ন রেখে উত্তর অমিল আজও মিলবেনা আর
সংখ্যাগুলো কেড়েছে অক্ষর, পত্রপাঠ
নিয়েছে গুটিয়ে | কোন
ফিরে দেয় যে কেড়ে নেয় সে-ই
বাঁচায় যে,ফাঁকা করে একা করে, খুন করে,লুট করে
সবই’তো মানুষ —
তথাপি কি নিদারুণ মানুষ পিপাসা
সহস্র আঘাত বুকে দেখে যা তথাপি, নিদারুণ কি
মানুষ উৎসব |সম্পূর্ণ
অখন্ড মেঘমালা সারাটিক্ষণ জুড়ে
স্থির রয় বুকের পাজরে
বলি ঝিরি ঝিরি বরিষণ ঝরলেই পারে
তবু তো শান্ত হাওয়া লাগতো হৃদয়পুরে।
কোথাকার কোনো শীতল হাওয়া
দেয় না দোলা-শুধু পথ চাওয়া
কাটে না মেঘমালা আঁধারের আসা-যাওয়া
স্তব্ধতায় বন্ধি চাওয়া-পাওয়া।
তবু থাকে প্রার্থনা হৃদয়জুড়ে সারাবেলা
মেঘমুক্ত হবে জীবন ঘুচবে ছলাকলা
আলোকধারা ঝরবে হবে আলোকিত পথচলা
ঝিরি ঝিরি সমীরণ দিয়ে যাবে দোলা।
দূরের বেদনা দূরের যাতনা
দূরই দেয় মোরে দূরের সান্ত্বনা।
যায় সাথি মোর দৃষ্টি-অগোচরে
নীরব ব্যথা সরবে অন্তরে।
সম্পূর্ণ
পিতামহ —
আমাকে আনত করো
বিভক্ত করো, ভগ্নংশ করো
ক্ষুদ্রাংশটুক ছড়িয়ে দাও
বৃহত্তর প্রাঙ্গণে !
আবারো নোয়ালাম — এই ব্যবধানে বর্ষিত হোক
ভেদাভেদ, আমাকে নামিয়ে দাও,জাগিয়ে দাও
জুড়ে দাও মহৎ আলোয় !
যখন প্রবল ধ্বসের সম্মুখীন আমি
তলিয়ে চলেছি অবক্ষয়ের গ্রাসে, একটিও তারা নেই
যখন নক্ষত্রের জাগতিক ভ্রম
চিরস্তব্ধ করে তুলছে সন্ধির আপাত সময়সম্পূর্ণ
হায় গণতন্ত্র !
– মল্লিকা রায়
ওই অস্ত্র
ওই মন্ত্র তুলে ধর বোনেরা
মণিপুরে ঘুমিয়ে যাওয়া
মায়েরা ক্লান্ত আজ……
ওই বাতাসের মন্ত্র দিলাম
ও দেশে
আগুণ ফলে,ছড়িয়ে পড়া উত্তাপ
পৌঁছে দেব
বোনেরা সম্পূর্ণ
এত বেশি চাও পরের জন
সুযোগ না পায়,চেয় না কোনদিকে
প্রভা ক্ষয়ে যাবে |
আহ্লাদী হও পরজীবে ছুড়ে দাও
বিক্ষিপ্ত ইঙ্গিত,হেঁটে যাওসম্পূর্ণ
সবশেষে চিৎকারে বলি,
কারাবাস দীর্ঘতর হোক!
প্রজাপতি উচ্চতর হোক!
নর-মানুষ নিম্নতর হোক!
সম্পূর্ণ
কোকিলের কুহু কেকা দোয়েলের শিস, জনম বাংলায় মোর দেবের এ আশীষ, গাছ নদী ফুল পাখিসম্পূর্ণ
আমার সুর বেদনার বিরহের
তোমার লাগবে না ভালো
জানি আমি অন্ধকারে আমার ডুব
তোমার চোখে ঝলমলে আলো।
বন্ধুরে বুক জুড়ে মোর ক্ষত
জ্বলে-পুড়ে অঙ্গার আমি
দেখিনা স্বপ্ন আর বিজয়ীর
অথচ সজিবতায় উজ্জল তুমি।
তোমার আমার দুইদিকে যাত্রা
আমি গান গাহি বিরহের
মিলনের আশা আর রাখিনা
তোমার বুকে ফোটে ফুল আনন্দের।
বন্ধুরে বিভেদের দেয়াল সুউচ্চ
আমারে খুঁজে পাবে না তুমি
আমি পলাতক,নিশ্চুপ-নির্বাক
তুমি উচ্চৈঃস্বরে সতত সংগ্রামী।
ট্রেন ভ্রমণ মোঃসোহাগ আলমগীর ট্রেন ভ্রমণের কাহিনি শুনুন তবে ভাই রজনীতে ঘুম হলোনা টিকিট নাসম্পূর্ণ