পঞ্চাশের গুলতানি
– মল্লিকা রায়
দেখেছি রঙ ধরা রুপোলি সিঁথির দুপাশ
ঢেকেঢুকে
চোখ বুঁজে তাজা সু পুরুষ ফ্রান্সিস ঘ্রাণে
সবটাই জানো অনিকেত, কিছুটা আরও এর পরে
তপ্ত জমিন ক্ষীর নদী মোহনার জোন
জ্বলে পুড়ে লুট হয়ে যাবে,কিছুটা এগোলে আরো —

গুবরে পোকারা চিরকালই বিদঘুটে
কামড়ায় ঘাড়ে কাঁধে , হুল ভেঙে যেন মরে চিরতরে

ছোঁয়াব না তাই বলে নিটোল চিবুক অনিকেত ———-সম্পূর্ণ

একা কেন ! জড়াও নি বুঝি
দাপটের পরাক্রান্ত জাল,এস ধর হাত
পুড়ে ছাই ধিকিধিকি জ্বলন্ত অধ্যায়
তবুও সকাল হোক,পরিচ্ছন্ন রোদ
নির্বিবাদ প্রদীপ ভাসিয়ে শান্তি এনে দেব
টুকটুক নোলক শাড়িতে
থেমে যাবে ঝড়,দেখো ঠিক একত্রিত হলে |সম্পূর্ণ

সহস্রাব্দের ঢেউ নিয়ে উথাল পাতাল গন্তব্য
নেই কোন উপস্থাপক নল, বিষন্ন কালে
নাকে মুখে গুঁজে দেবার মত , আব্বুলিশ !
আমি এই খেলায় কোন সরঞ্জাম হতে পারব না
পারব না দিগযন্ত্র হয়ে মোরগের পিছু পিছু
গোলমেলে বৃষ্টি রিপোর্ট দিতে, তার চেয়ে
একফোটা নাভি দাও পরমায়ু রাখি, ঠেলে উঠলে টেথেসকোপসম্পূর্ণ