জলঢাকা, জলঢাকা তুমি যাও বয়ে
কুলু কুলু কুলু রব দিয়ে।
উপল খণ্ডের নিবিড় ভিড়ে
যারা ঘিরে আছে তোমার দুই তীরে,
খণ্ডে খণ্ডে করিছ আঘাত
যারা দেয় বাধা, নয় সাধা
তারই মাঝে ঝরনা ধারায় প্রবাহিত তুমি অবিরত।
সম্পূর্ণ

সভ্যতা,সময় ও উপলব্ধি ফিকে হয়
মানবের চাহিদা পূরণ হয়,
তবুও স্বস্তির মুখ দেখা না হয়,
স্বস্তিরা সব অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে নতুন আবেদনের ভিড়ে,
দুরন্তর পথে নিরন্তর ছুটে চলার এক অক্লান্ত অবিশ্রান্ত প্রয়াসে,
মেকি ছলনার ক্ষণিক ক্ষেপনে সময়ও বিষণ্ণ হয়,
তাকে নিয়ে আরও দ্রুত,আরও বেগে,আরও ছুটে চলার এক অসম্ভব প্রার্থনা সময়ের,
সময়ের এ প্রার্থনা কার দরবারে?
আমার না ঈশ্বরের?সম্পূর্ণ

তৃতীয় প্রহরের সূর্য দিতেছেন উঁকি
সংকীর্ণ ছিদ্র পথে জঙ্গলে দিয়ে ফাঁকি।
প্রবল হাওয়া বহিয়া যায়
কেশ রাশি মোর উড়িতে চায়,
হাওয়ার দাপট প্রতিহত করি
দেহ মন মোর ভ্রমিতে চায়।
সম্পূর্ণ