উত্তর দাও পাহাড়
পাহাড়, তুমি দেখতে সুন্দর হলে কেন? পাহাড়, মেঘ তোমার কাছে ছুটে আসে কেন? পাহাড়, নদীসম্পূর্ণ
ছত্রাকের মুণ্ডবিহীন ঈশ্বর ও তেত্রিশ দ্বাপরের নক্ষত্রযোগ
সাদা থকথকে দই মেশানো রক্ত তঞ্চনের থেকেও আদিম কোনো করোনারী আর্টারির কথা বলছি প্রবৃদ্ধ কোণেসম্পূর্ণ
সূর্যাস্তের সমুদ্র স্নান
সূর্যাস্তের সমুদ্র স্নান ©আজিজুল হক রক্তের স্রোত বয়ে বেড়ানো সূর্যাস্তের লাল রেখা যেন ধেয়ে আসছেসম্পূর্ণ
তুমিস্পৃষ্ট
এই সৃষ্টি না হয় জড় হয়েই রইলাম।
পরেরবার,যদি মানুষ হই?
তুমিস্পৃষ্ট হয়েই বাঁচবো কথা দিলাম।সম্পূর্ণ
পাখী তুই ডানা দিবি
পাখী তুই ডানা দিবি জলসায় যাবো দিবি ডানা এঘর ওঘরে ছিটেফোটা আলো নেই আর চলেসম্পূর্ণ
শেষ পঙক্তি
পাণি তুলে নিবে আকাশে
ইশারায় আঁকাবে নারসিসাস
ডুবে যাচ্ছে গভীরে,আরও গভীরে
সে আকাশের বেধও যতোটা নয়
ততোটা গভীরে।সম্পূর্ণ
শেষ পঙক্তি
পাণি তুলে নিবে আকাশে
ইশারায় আঁকাবে নারসিসাস
ডুবে যাচ্ছে গভীরে,আরও গভীরে
সে আকাশের বেধও যতোটা নয়
ততোটা গভীরে।সম্পূর্ণ
অঙ্গীকারনামা
তুমি বললে ঝর্ণা হব, তুমি বললে নদী
তুমি বললে বুনো শালিক হব মরণ অবধি।
তুমি বললে আকাশকুসুম ভাববো আমি বসে
তুমি বললে এ জন্ম আমি লিখে দিতে পারি হেঁসে।সম্পূর্ণ
হেমন্তের মাঠে
হেমন্তের মাঠে
——- প্রতাপ মণ্ডল
তুমি ছিলে না বলে হেমন্ত আসেনি, শিশির পড়ে নি ঘাসে
তুমি ছিলে না বলে শীতের দাপট, রুক্ষতা ছিলো বাতাসে
চলো হেঁটে যাই অনেকটা পথ দু’পায়ে শিশির মেখে
সব ভালোবাসা তোমার জন্যই দিয়েছিলাম রেখে
তোমাকে পাবো নিজের করে ভাবিনি, এই হেমন্তের শেষে।
তোমার জীবনেও শীতের স্থায়িত্ব ছিলো, এখন মধুমাস
না বলেই জীবনে রঙ ধরে! কখনো থেকে যায় বৈশাখ।
মাঠে মাঠে ধান কাটা শুরু, নবান্নের ধুম
কালও আসতো না জানো! দুচোখে ঘুম
হেমন্তের সোনা রোদ, ঝলমলে ওই দেখো নীলাকাশ।
আর ভাতঘুম দিওনা, বড্ড তাড়াতাড়ি সন্ধ্যে আসে নেমে
পাশাপাশি বসে গল্প হোক, এতদিন জীবনটা ছিলো থেমে
তোমার জন্য গোলাপ আনবো, লাল টকটকে
সব লাল ঝরে গেছে তোমার জীবন থেকে
দু’জনে জাগবো কিছুটা রাত, তারপর চলে যাবো ঘুমে।
আমরা হাঁটবো হেমন্তের মাঠে, আলপথে, ফড়িংয়ের পিছু
শৈশব কৈশোর, যৌবন থেকে ধার করে আনবো জীবনী কিছু
শাড়ির আঁচল এলোমেলো করুক দুস্টু বাতাস
দু-বাহুতে ধরা দিয়ে ঘন হোক তোমার নিঃশ্বাস
আমরা থাকবো ওমে, শীতের কাছে করবোনা মাথা নিচু।
আমরা হাঁটবো হেমন্তের মাঠে, আলপথে, ফড়িংয়ের পিছু পিছু।সম্পূর্ণ