প্রকৃতির রঙ ( রং / নানা রঙ) – পার্থ বসু
সুন্দর এ প্রকৃতি নদী নালা মাঠ ঘাট সবুজের বন, তারই মাঝে যেন ছবি আঁকা দিয়েসম্পূর্ণ
সুন্দর এ প্রকৃতি নদী নালা মাঠ ঘাট সবুজের বন, তারই মাঝে যেন ছবি আঁকা দিয়েসম্পূর্ণ
চিরস্মরণীয় ছবি
সুব্রত মিত্র
হঠাৎ একদিন মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো তোমাদের সামনে
ভুলে যাবো পুরনো দিনের ঘটনার সব অভিমান
সোনালী স্মৃতিতে জীবনকে রাঙ্গাবো
প্রেমের কবিতার সব প্রেম উপছে পড়বে সেদিন
অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে চেয়ে দেখবো বনলতার গালের কালো তিল
এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পরেও মনের গভীরে রক্ত গোলাপ ফুটবে সেদিন
আবার ফিরে পাবো সেই বন্ধু মহল
সময়ের হাতছানিতে সময়টা বড়ই মিছে
আবার সময়টাই মূল্যবানসম্পূর্ণ
অগোচরে সারাদিন গেছে হাহাকার—অতলে ঘুণের বসতি
নীলকণ্ঠ নদির বুকে দ্বিধাহীন ভেসে যাও পালকের পুরুষ সম্পূর্ণ
সাদা আকাশ,
দিগন্তে বিলীন হলে
টিন ইটের বাসা অবাক হয়ে
দাঁড়িয়ে রইল চালের ছায়ায়।সম্পূর্ণ
গাছের প্রেমে পাখিরা বাঁচুক—মানুষের প্রেমে মানুষ
সনাতন সারোদে নতজানু নদিরাও জানুক মানুষই ঈশ্বরসম্পূর্ণ
ঈশ্বরকে আমি ‘আপনি’ বলে ডাকতে পারি না বললে কোথায় যেন আমার বাঁধে আমি খুব অস্বস্তিতেসম্পূর্ণ
আমি শুধু তোমাকে চাই তোমাকে পেতে হলে আমি সবকিছু করতে রাজি আছি—- যদি বলো তোসম্পূর্ণ
দিগন্তে এক টুকরো ক্লান্ত মেঘ, সন্ধ্যার অপেক্ষায়। চাঁদটা এসে ভরাবে মন জোছনায়। আর আমার তোমাকেসম্পূর্ণ
আমাকে যদি কেউ পছন্দ করতে বলে কোনটি তোমার ভালো লাগে পাহাড় না সমুদ্র না সমতল?সম্পূর্ণ
। কথার জালে।
একটা ঘর দিও কবি, মাটির ঘর হলেও চলবে….
একটা ছোট্ট উঠোন থাকবে, আর একটা দোলনা
আমি দোল খেতে খেতে তোমার কবিতা শুনবো
দেবে একটা ঘর? ও কবি, একবার বলো না…
একটা বিকেল দিও, নদীর ধারে পাশাপাশি হাঁটবো।
একটা কোনো বুনোফুল, পরিয়ে দিও আমার চুলে,
সূর্যাস্ত পেরিয়ে যখন গোধূলি নামবে, আকাশ রঙিন
ও কবি, একটু কথা বলো নাগো, মন খুলে……
একটা শীতের সকাল দিও, কুয়াশা রেখো না যেন!
মখমলি ঘাসের ডগায়, শিশিরবিন্দু রেখে দিও….
শিশিরকণায় ভিজিয়ে পা, হেঁটে যাবো অনেকটা
ও কবি, তুমি তো বাধা দেবে! হাত ধরে টেনে নিও।
চাইনা কোনো বসন্তের বিকেল, শিমুল পলাশ থাক
কৃষ্ণচূড়ার আগুনে আমি, আর চাই নাগো পুড়তে…
একটা হেমন্তের মাঠ দিও কবি, সোনালী ফসল
ভাঙা মনে একটা সাঁকো, পারি যেন মন জুড়তে।
একটা শরৎ আকাশ দিও, আর দিও কিছু কাশফুল
তুমি একটু সময় দেবে তো কবি, শরৎ সকালে…!
আমি এবার যাই, চৈত্র আসছে খুব বেগে ধেয়ে
ও কবি, দোহাই তোমায়! বেঁধো আর কথার জালে।
𝓟𝓻𝓪𝓽𝓪𝓹 𝓜𝓸𝓷𝓭𝓪𝓵সম্পূর্ণ