টিন ইটের বাসা
সাদা আকাশ,
দিগন্তে বিলীন হলে
টিন ইটের বাসা অবাক হয়ে
দাঁড়িয়ে রইল চালের ছায়ায়।সম্পূর্ণ
দ্রোহের দেয়াল
গাছের প্রেমে পাখিরা বাঁচুক—মানুষের প্রেমে মানুষ
সনাতন সারোদে নতজানু নদিরাও জানুক মানুষই ঈশ্বরসম্পূর্ণ
ঈশ্বরকে আমি ‘তুমি’ বলেই ডাকি
ঈশ্বরকে আমি ‘আপনি’ বলে ডাকতে পারি না বললে কোথায় যেন আমার বাঁধে আমি খুব অস্বস্তিতেসম্পূর্ণ
আমি শুধু তোমাকে চাই
আমি শুধু তোমাকে চাই তোমাকে পেতে হলে আমি সবকিছু করতে রাজি আছি—- যদি বলো তোসম্পূর্ণ
এক টুকরো মেঘের মতো
দিগন্তে এক টুকরো ক্লান্ত মেঘ, সন্ধ্যার অপেক্ষায়। চাঁদটা এসে ভরাবে মন জোছনায়। আর আমার তোমাকেসম্পূর্ণ
আমি শুধু পাহাড় ভালোবাসি
আমাকে যদি কেউ পছন্দ করতে বলে কোনটি তোমার ভালো লাগে পাহাড় না সমুদ্র না সমতল?সম্পূর্ণ
কথার জালে
। কথার জালে।
একটা ঘর দিও কবি, মাটির ঘর হলেও চলবে….
একটা ছোট্ট উঠোন থাকবে, আর একটা দোলনা
আমি দোল খেতে খেতে তোমার কবিতা শুনবো
দেবে একটা ঘর? ও কবি, একবার বলো না…
একটা বিকেল দিও, নদীর ধারে পাশাপাশি হাঁটবো।
একটা কোনো বুনোফুল, পরিয়ে দিও আমার চুলে,
সূর্যাস্ত পেরিয়ে যখন গোধূলি নামবে, আকাশ রঙিন
ও কবি, একটু কথা বলো নাগো, মন খুলে……
একটা শীতের সকাল দিও, কুয়াশা রেখো না যেন!
মখমলি ঘাসের ডগায়, শিশিরবিন্দু রেখে দিও….
শিশিরকণায় ভিজিয়ে পা, হেঁটে যাবো অনেকটা
ও কবি, তুমি তো বাধা দেবে! হাত ধরে টেনে নিও।
চাইনা কোনো বসন্তের বিকেল, শিমুল পলাশ থাক
কৃষ্ণচূড়ার আগুনে আমি, আর চাই নাগো পুড়তে…
একটা হেমন্তের মাঠ দিও কবি, সোনালী ফসল
ভাঙা মনে একটা সাঁকো, পারি যেন মন জুড়তে।
একটা শরৎ আকাশ দিও, আর দিও কিছু কাশফুল
তুমি একটু সময় দেবে তো কবি, শরৎ সকালে…!
আমি এবার যাই, চৈত্র আসছে খুব বেগে ধেয়ে
ও কবি, দোহাই তোমায়! বেঁধো আর কথার জালে।
𝓟𝓻𝓪𝓽𝓪𝓹 𝓜𝓸𝓷𝓭𝓪𝓵সম্পূর্ণ
গরীব
গরীব
খ্যাঁক খ্যাঁক হাসে, মারপিট ঝগড়ায় মাতে
গাল পারে, কালশিটে মুখ গোগ্রাসে গেলে
যে যা দেয়, যখন তখন, ফিক ফিক হাসে
চিৎকার করে এলেবেলে বেফাঁস কথারা
গুছিয়ে চলে না, সশব্দে খায় মোতে, হাগে
চোখে দাঁতে ছোপ বেপরোয়া উদ্ভট সাজ
দুটি বই সাতখানা জামা নেই মসলিন প্যান্ট
শখের চুরুট নেই ব্র্যান্ড সিগারের রিং উড়াণ
ঢক ঢক ঢোক গেলে রেকাব পানীয়ে উগ্র
কি বিকট আঁওয়াজ ! দশ গ্রাস কি বিশাল
হা ‘ এর গহ্বর, গপ গপ খায় মাথা মুখ
ঝুঁকে থাকে পিরামিড থালে, আজন্ম
খায়নি কিছুই যেন,চামচে কাটার দৈন্য
তিন মন ভূঁড়ি ইস্ দশ টন ট্যাঙ্কিও জানে,
শিরোনাম চেয়ে
ফিরে চলে গেছি , পেছন ফিরলে আর
ছায়াটিরও দেখা পাবে না কোথাও,একটু একটু করে
গুটিয়ে নিয়েছি নিজেকে,
কাব্যে,কবিতায়,কাহিনীর প্রত্যঙ্গে
অনেক অনেক অবহেলা ক্রমে পরিণত করেছে আমায়
মিশে গেছি তৃতীয়ার অতসী গভীরে
কাঁচের স্বর্গে তাই রেখেছি ঠিকানা
খুঁজোনা বেনী দোলা কবেকার সেই ছদ্মবেশ
সেও তার সূচিপত্র নিয়ে ফিরেছে গুটিয়ে
পাথরটি গড়িয়ে আঁধার বুঝি মিশেছে সাগরে , প্রতিরোজ
জন্ম হত জৈবিক উদ্যান তুমি তার জলতরঙ্গ ছিলে
শব্দ তার বৃত্তের বাহার নানান ছলকে
তরঙ্গ চ্ছলে মুখে গালে ছোঁয়াত উচ্ছাস ,সেসবও ভুলেছি
কত রাত ভোর হয়ে গেছে ক্ষয়ে ক্ষয়ে
হতাশ রাত্রিরা, টুপ টাপ শব্দে শুধু নীরব পতন।
সেই শব্দ শুনি আমি নিরেট প্রাণের
নিথর পাখীর মত নিষাদের ব্যার্থ অহংকার !
ও কি সম্পত্তি চেয়েছিল ?
অর্থ কি পেরেছে কেড়ে নিতে , একটুক প্রেম শুধু
ন্যুনতম ভাষা ছোট্ট হৃদয়ে নিরিবিলি খুব
চেয়েছিল জানাতে শুধুই,সঙ্গী ছিল না তাই সহসা একাই
আর্তনাদে চৌচির হৃদয়, পাখীটা বোঝে নি
কি মারাত্নক লোকাচার পাষন্ড ঘাতক, মৃত্যু তাকে
ডেকে নিয়ে গেল,
শার্শিতে ঝরবেনা জল
তোমার সবকিছুই আমার
তুমি অন্য কারও নও শুধু আমার ছাড়া। তুমি বৃষ্টিতে ভিজো না আমি চাই না বৃষ্টিরসম্পূর্ণ
তৃতীয় প্রহরে
আজ দুপুরে মেঘের ছায়া
সারা আকাশ জুড়ে।
দিনের আলো চলে গেল
কোন সুদূরের নীড়ে।
সম্পূর্ণ
