ফিরে চলে গেছি , পেছন ফিরলে আর
ছায়াটিরও দেখা পাবে না কোথাও,একটু একটু করে
গুটিয়ে নিয়েছি নিজেকে,
কাব্যে,কবিতায়,কাহিনীর প্রত্যঙ্গে
অনেক অনেক অবহেলা ক্রমে পরিণত করেছে আমায়
মিশে গেছি তৃতীয়ার অতসী গভীরে
কাঁচের স্বর্গে তাই রেখেছি ঠিকানা
খুঁজোনা বেনী দোলা কবেকার সেই ছদ্মবেশ
সেও তার সূচিপত্র নিয়ে ফিরেছে গুটিয়ে
পাথরটি গড়িয়ে আঁধার বুঝি মিশেছে সাগরে , প্রতিরোজ
জন্ম হত জৈবিক উদ্যান তুমি তার জলতরঙ্গ ছিলে
শব্দ তার বৃত্তের বাহার নানান ছলকে
তরঙ্গ চ্ছলে মুখে গালে ছোঁয়াত উচ্ছাস ,সেসবও ভুলেছি
কত রাত ভোর হয়ে গেছে ক্ষয়ে ক্ষয়ে
হতাশ রাত্রিরা, টুপ টাপ শব্দে শুধু নীরব পতন।
সেই শব্দ শুনি আমি নিরেট প্রাণের
নিথর পাখীর মত নিষাদের ব্যার্থ অহংকার !
ও কি সম্পত্তি চেয়েছিল ?
অর্থ কি পেরেছে কেড়ে নিতে , একটুক প্রেম শুধু
ন্যুনতম ভাষা ছোট্ট হৃদয়ে নিরিবিলি খুব
চেয়েছিল জানাতে শুধুই,সঙ্গী ছিল না তাই সহসা একাই
আর্তনাদে চৌচির হৃদয়, পাখীটা বোঝে নি
কি মারাত্নক লোকাচার পাষন্ড ঘাতক, মৃত্যু তাকে
ডেকে নিয়ে গেল,
শার্শিতে ঝরবেনা জল

সম্পূর্ণ

খিলক্ষেতের রঙিন দিনগুলোতে
রবিনের আড্ডার সুর।
ভি.আই.পি রোডে আমাদের ঘুরাফেরা,
চাঁদের আলোয় নিকুঞ্জে সবার হইচই।
চা আর সিগারেটে হাসিমুখ
মনে পড়ে যায় মাঝরাতে।সম্পূর্ণ

শৈশবের স্মৃতিচারণে মায়ের আদর।
আঠারোতে সেও চলে যায়,
এরপর সবাই হলো পর।
পঁচিশ পর্যন্ত বাঁচলাম তোমার আশায়,
মায়ের কাছে ফিরে যেতে এখন কে আটকায়।
সবশেষে বলছি খোঁজ করোনা আমার কবর।
ফিরে এসেছি মায়ের কাছে, তুমিও এখন পর। সম্পূর্ণ

নীরুবালা—তুমি আমার থেইকা যেভাবে মুখ ফিরাইয়া নিলা
আমার মনে চায় আবার মরতে
নীরুবালা—তুমি কী কখনও আমার কাছে আইবা না
পাশে বইসা দুই একটা কথা কইবা না
আগেকার কথা মনে কইরা আমারে ঝাটকি দিবা না
নীরুবালা—আমার মনে চায়
দৌড়াইয়া তোমার কাছে চইলা যায়
কিন্তু আমার তো হাত–পা–ঠোঁট সব বান্ধাসম্পূর্ণ

ঘুমশিশুর আগমনে মৃতদের উল্লাস,
বেজে ওঠে বিচ্ছেদের সাইরেন,
বাস্তবতার এক অসম্পৃক্ত মিশ্রণে কেউ কেউ সত্য প্রেমপত্র হাতে দাঁড়ায় জনসমুদ্রের তীরে,
ডাকে সেই কাকের সুরে,সেই কালো কাক,
শহরের সমুদ্রে যার নিষ্প্রভ বিচরণ,
প্রেমের আহ্বানে শুনতে পায় মৃত্যুর গানসম্পূর্ণ