সাহিত্য অমৃত সুধা পান করো মন
দূর হয়ে ভব ক্ষুধা হবে তুমি দীপ্ত
কাব্য যে পরশমণি স্পর্শে থেকো লিপ্ত
সাহিত্যে কাব্য জোহুরি রত্নে ভরা বন।

সদায় অর্জন করো গুপ্ত তত্ত্ব ধন
লৌহের মত স্বর্ণত্ব মণি করো রপ্ত
লাগামহীন ঘোড়া যে কাব্য ছাড়া ক্ষিপ্ত
বৃথা মানব জীবন কাব্য ছাড়া হোন।

ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তরে ধরা বিনির্মাণে
‘পরশ পাথর কাব্য’ জানে বিজ্ঞ জনে
মনুষ্যত্ব অর্জনে প্রেম করো কাব্য সনে
কাব্য চর্চা একনিষ্ঠে সঁপো প্রাণপণে।

কাব্য চর্চায় একাগ্র ভক্তির বাঁধন
জৈবিক আত্মিক হয় উৎকর্ষ সাধন।
সম্পূর্ণ

তুমিহীনা কবিতার মতো করে;
এই আমিটা আমিহীন হয়ে যাচ্ছি ধীরে ধীরে..
তুমিহীনা এই শহরে-
এই আমিটাও নিখোজ হচ্ছি রোজ নিয়ম করে,
তুমিহীনা শহরের দেয়ালে আর লিখা হয়না__
কোন চিঠি!সম্পূর্ণ

আপনি আমার দুরন্ত শৈশবের খেলার মাঠ,
সুতো ছিড়ে হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো টালমাটাল লাল ঘুড়ি,
বাড়ি আঙিনায় খেলা কঠিন শর্তের সহজ ক্রিকেট,
স্কুল জীবনের প্রথম সাদা কেডস,
কলমের কালিতে মাখা স্কুল ড্রেস,
বার বার চেইন পড়ে যাওয়া হিরো সাইকেল,
দপ্তরির হাতুড়িতে বেজে উঠা প্রতিক্ষার ছুটি ঘন্টা,
বালিশের নিচে বাবার রেখে যাওয়া চকচকে দোয়েল নোট,সম্পূর্ণ

পড়ন্ত বিকেলে যদি চলার পথ শেষ হয়
তবে হৃদয়ের টুকরো দিয়ে তৈরী হয়েছিল চলার পথ।
দূরত্ব উঁচু উঁচু অট্টালিকার চেয়েও সুদীর্ঘ
এই শহর বেড়ে ওঠে
চোখে চোখে বিষাদের ভাষা
ক্রমাগত স্মৃতির দূরত্ব বাড়ায়।সম্পূর্ণ