সব রুটি ছড়ানো নয়
নিস্কৃতি পেয়েছে সেও ঠাহর হয়েছে
উদ্ধার কবলে প্রিয়ার সে ক্ষীণ চিঠি —— এইবার ফিরে এলে
খোকা হবে নুতন হোগলা ছাওয়া ঘরে |
নিস্কৃতি পেয়েছে সেও ঠাহর হয়েছে
উদ্ধার কবলে প্রিয়ার সে ক্ষীণ চিঠি —— এইবার ফিরে এলে
খোকা হবে নুতন হোগলা ছাওয়া ঘরে |
শুয়ে পরে সুন্দরী হলে। ওটা কি সঠিক,
উঠে যাওয়া মঞ্চে সাজালো একক তোমাকে ?
নেমে এস কবি তুমি তো জনতা,ত্রিশ কোটি নগ্ন ভারত
কেন থাকো দূরে দূরে সরে
নেমে এস সরাসরি বিদ্রোহ করো বলো “ওরাও জনতা”
তোমার মতন অনেকই আছে
বক্ষলগ্ন করো, মানে হুশে সাজাও সারিতে
দেখেছ ছেলেটি রিক্সা হাতে কি অযুত
শব্দ সাজানো —–
সব্জি পাশেই ক্ষিন্ন যে বুড়ো আজও লেখে
চিরকূট খুলে —- চেন তাকে তুমি, সে আমার
রুগ্ন ভারত,জর্জরিত ঋণে
একগুচ্ছ যুঁইয়ের মালায় আমরা দুলব,
দুলে উঠবে জীবন
সম্মিলিত সুখ দেখাতে, টেনে আনব পেছনের স্ক্রীন
জমা খরচের বাজেয়াপ্ত চ্যাপ্টারের
দীর্ঘমেয়াদী অন্তর্ঘাত, যেখানে মোচ্ছব দল
মহাকোষের খাতা খুলে
এগিয়ে ধরেছেন লাভ ক্ষতির বায়োডেটা,
ফিনকি থেকে শৌর্য ছুড়ছেন দাতা
মাতৃলব্ধ ফলে, যুঁই গন্ধে বিভোর এ সকাল
প্রতিধ্বনিত ——- প্রচ্ছন্ন স্ক্রীনে
ঘাঁপটি মেরে আছে একরাশ শূণ্য মানুষ
দরজার ওপাশ থেকে যাদের সরানো হয়েছে
তদের কোন অস্তিত্ব নেই
ভবিতব্যের সুরা হাতে নিশ্চুপ তারা,
অন্তর্ঘাতের
ঘাম রক্ত মুছতে ব্যাস্ত |
ভেঙে দেওয়া হোক সাজানো সুদৃশ্য —-
থ্যাতলানো জিহ্বার লালায় ছড়িয়ে যাক
ল্যান্ড ল্যান্ড ধ্বংসাবশেষ।
ভাঙা দাঁতের সারি সরিয়ে খিঁচড়ে নেওয়া হোক
এক একটি দেশ কালের যোগসূত্র
চোয়ালগুলো ব্যবধিত হতে হতে সম্পূর্ণ
বাবা গুলো ছোট হয়ে গেছে
ছেলেগুলো উঠছে ছাপিয়ে
অকাল মৃত্যু জলে ভাসবে জেনেও
কি উদ্বেল ঝাঁপ ! কিছু পরে বিক্রিত পণ্যের মতন
নগর দ্বারে সাজিয়ে সাজিয়ে
কি নিশ্চিত যান্ত্রিক যাপন !
সূক্ষ্ম কাপড় বেয়ে মেপে নেবে দৈন্য সংবেদ
কতটা তাত্ত্বিক, কতখানি উপেক্ষিত
ক’ ফোটা অস্তিত্ব তার পার্থিব স্কেচ হয়ে আছে
বাবারা ভুলেছে
সম্পূর্ণ
আকাশ তেমন উঠল মেতে দুর্বিপাকে
সরাসরি নিভিয়ে দিয়ে সূয্যিটাকে, কি
যে বলে মজলে মনের সন্ধিগুলো —-
গান পাঠালো ডাক পাঠালো
জ্বললো আলো,জুড়ল এসে সন্ধিটাকে !
আকাশ তেমন উঠল মেতে দুর্বিপাকে
সরাসরি নিভিয়ে দিয়ে সূয্যিটাকে, কি
যে বলে মজলে মনের সন্ধিগুলো —-
গান পাঠালো ডাক পাঠালো
জ্বললো আলো,জুড়ল এসে সন্ধিটাকে !
জল থেকে তুলে নাও এবার আমায়,শুদ্ধ হব
স্খলিত জলে আর পূজ্যার্ঘ নেই
অজেয় সংক্রমণে এখানেও ঢেকে যায় সূর্যোদয়
মহামারীর ইশারায় নেমে যায় একে সম্পূর্ণ
প্রেম জ্বলে বুক জ্বলে নেমে এস ছি ছি পাড়াশুদ্ধ
লোকে কি বলে :
চোবাও আমায় আর
আমিও তোমায়,বেঁজে উঠি চল আকস্মিক স্নানে !সম্পূর্ণ
গরীব
খ্যাঁক খ্যাঁক হাসে, মারপিট ঝগড়ায় মাতে
গাল পারে, কালশিটে মুখ গোগ্রাসে গেলে
যে যা দেয়, যখন তখন, ফিক ফিক হাসে
চিৎকার করে এলেবেলে বেফাঁস কথারা
গুছিয়ে চলে না, সশব্দে খায় মোতে, হাগে
চোখে দাঁতে ছোপ বেপরোয়া উদ্ভট সাজ
দুটি বই সাতখানা জামা নেই মসলিন প্যান্ট
শখের চুরুট নেই ব্র্যান্ড সিগারের রিং উড়াণ
ঢক ঢক ঢোক গেলে রেকাব পানীয়ে উগ্র
কি বিকট আঁওয়াজ ! দশ গ্রাস কি বিশাল
হা ‘ এর গহ্বর, গপ গপ খায় মাথা মুখ
ঝুঁকে থাকে পিরামিড থালে, আজন্ম
খায়নি কিছুই যেন,চামচে কাটার দৈন্য
তিন মন ভূঁড়ি ইস্ দশ টন ট্যাঙ্কিও জানে,
প্যারেড
– মল্লিকা রায়
লেফ্ট রাইট লেফ্ট —–
গমগমে প্রান্তর, এখানেই লক্ষ্যভেদ
ঘাম বেয়ে এগিয়ে চলার প্যারেড
জলে মুখে পাথরকুচি
কিছুটা সটান শিশুর গালে, কোল ভেঙে
গড়িয়েছে বেলা এখনও অভুক্ত তুই !
কত কত কোলাজে গড়েছি
অর্ধভূখ মাঠের মতন অজস্র দাপাদাপি
কোন আর্জি নেই আর, শতচ্ছিন্ন পরে থাকে অসংখ্য ধূলায়
একই বেশ একই কায়দায়
অভূক্তের একই রুপ, সান্ধ্য কিছু
আঁচল ছড়ায় ,অমায়িক সিক্ত সিন্ধু পেয়ে
দৃষ্টি মেলে সে ও !
যেইমাত্র সরে গেলে বেলা, না পাওয়ার
গ্লানিবিদ্ধ,ঘর্মক্লান্ত মুখ, গৃহ মাটি ঘর
রোদতপ্ত পিচের মতন,উদ্ধত ক্ষত চিহ্ন বয়ে
হতাশার নিরাসক্ত মুখ
পঞ্চাশের গুলতানি
– মল্লিকা রায়
দেখেছি রঙ ধরা রুপোলি সিঁথির দুপাশ
ঢেকেঢুকে
চোখ বুঁজে তাজা সু পুরুষ ফ্রান্সিস ঘ্রাণে
সবটাই জানো অনিকেত, কিছুটা আরও এর পরে
তপ্ত জমিন ক্ষীর নদী মোহনার জোন
জ্বলে পুড়ে লুট হয়ে যাবে,কিছুটা এগোলে আরো —
গুবরে পোকারা চিরকালই বিদঘুটে
কামড়ায় ঘাড়ে কাঁধে , হুল ভেঙে যেন মরে চিরতরে
ছোঁয়াব না তাই বলে নিটোল চিবুক অনিকেত ———-সম্পূর্ণ
ফিরে চলে গেছি , পেছন ফিরলে আর
ছায়াটিরও দেখা পাবে না কোথাও,একটু একটু করে
গুটিয়ে নিয়েছি নিজেকে,
কাব্যে,কবিতায়,কাহিনীর প্রত্যঙ্গে
অনেক অনেক অবহেলা ক্রমে পরিণত করেছে আমায়
মিশে গেছি তৃতীয়ার অতসী গভীরে
কাঁচের স্বর্গে তাই রেখেছি ঠিকানা
খুঁজোনা বেনী দোলা কবেকার সেই ছদ্মবেশ
সেও তার সূচিপত্র নিয়ে ফিরেছে গুটিয়ে
পাথরটি গড়িয়ে আঁধার বুঝি মিশেছে সাগরে , প্রতিরোজ
জন্ম হত জৈবিক উদ্যান তুমি তার জলতরঙ্গ ছিলে
শব্দ তার বৃত্তের বাহার নানান ছলকে
তরঙ্গ চ্ছলে মুখে গালে ছোঁয়াত উচ্ছাস ,সেসবও ভুলেছি
কত রাত ভোর হয়ে গেছে ক্ষয়ে ক্ষয়ে
হতাশ রাত্রিরা, টুপ টাপ শব্দে শুধু নীরব পতন।
সেই শব্দ শুনি আমি নিরেট প্রাণের
নিথর পাখীর মত নিষাদের ব্যার্থ অহংকার !
ও কি সম্পত্তি চেয়েছিল ?
অর্থ কি পেরেছে কেড়ে নিতে , একটুক প্রেম শুধু
ন্যুনতম ভাষা ছোট্ট হৃদয়ে নিরিবিলি খুব
চেয়েছিল জানাতে শুধুই,সঙ্গী ছিল না তাই সহসা একাই
আর্তনাদে চৌচির হৃদয়, পাখীটা বোঝে নি
কি মারাত্নক লোকাচার পাষন্ড ঘাতক, মৃত্যু তাকে
ডেকে নিয়ে গেল,
শার্শিতে ঝরবেনা জল