পুরুষ হও দৃঢ়

বৃত্ত সেরে ফিরে যাওয়া আজও
ছত্রাকার,একরাশ জমাট হতাশা
দিব্য দিয়ে ঢেকে রাখি সেই পর্বগুলো
একটি বিন্দু রাত্রি তার
সাগর সমান, হে যুবক পুরুষ হও দৃঢ় !

সম্পূর্ণ

চলে গেছে যারা শুধুই মতিভ্রম
প্রশ্নচিহ্ন রেখে উত্তর অমিল আজও মিলবেনা আর
সংখ্যাগুলো কেড়েছে অক্ষর, পত্রপাঠ
নিয়েছে গুটিয়ে | কোন
ফিরে দেয় যে কেড়ে নেয় সে-ই
বাঁচায় যে,ফাঁকা করে একা করে, খুন করে,লুট করে
সবই’তো মানুষ —
তথাপি কি নিদারুণ মানুষ পিপাসা
সহস্র আঘাত বুকে দেখে যা তথাপি, নিদারুণ কি
মানুষ উৎসব |সম্পূর্ণ

||নিশ্চুপ নেতৃত্ব|| আবৃত্তির জন্য
– মল্লিকা রায়
আমাদের একপাশ এখন সংঘর্ষ ক্ষেত্র
অন্যপাশ মদমত্ত জাতীয় কমিটির একতা মঞ্চ
আমরা সমস্ত উৎসবে
দুই পাশকেই আলিঙ্গন করি কেউ সাদা টুপিতে
কেউ বিঁজয়ার সন্ধিক্ষণে, কেউ কোরাণ পড়ি
কেউ গীতা কেউ বাইবেল |
একদিন আমি দেখেছিলাম একজন পোপ সহজ ভাষায়
আমাদের কথা বলছে,আনোয়ারের বোনের
কথা বলছে,যে বোনটিকে উদ্ধার করেছিল
ইসলামি এক ভাই আটদিন পর পঁচে যাওয়া
পানা পুকুরের পাঁক থেকে
ধর্ষক গ্রাম প্রধানের এক্সট্রা পাইয়ে দেওয়ার নিভৃত
অঞ্চলের, অন্ধকার আলোতে মোদো বাপের
ট্যাকে গুঁজে দেওয়া কড়কড়ে নোটের বিনিময়ে।
আমারই গ্রামের।
একদিন এসেছিল
চাল ধার করতে ,অন্যদিন মায়ের ওষুধের পঞ্চাশটি টাকা
সঙ্গে ওর অন্ধ বাপ
চিৎকার করে বলেছিল বাবু গৃহ যোজনায়
আমার বদলে ওরা লিখেছে জমিদারের ভাইপোর নাম
মা মরা একটাই মেয়ে বাবু বড় অসহায়
হোগলা পাতার ঘর
সম্পূর্ণ

পিতামহ —

আমাকে আনত করো
বিভক্ত করো, ভগ্নংশ করো
ক্ষুদ্রাংশটুক ছড়িয়ে দাও
বৃহত্তর প্রাঙ্গণে !
আবারো নোয়ালাম — এই ব্যবধানে বর্ষিত হোক
ভেদাভেদ, আমাকে নামিয়ে দাও,জাগিয়ে দাও
জুড়ে দাও মহৎ আলোয় !
যখন প্রবল ধ্বসের সম্মুখীন আমি
তলিয়ে চলেছি অবক্ষয়ের গ্রাসে, একটিও তারা নেই
যখন নক্ষত্রের জাগতিক ভ্রম
চিরস্তব্ধ করে তুলছে সন্ধির আপাত সময়সম্পূর্ণ

হায় গণতন্ত্র !
– মল্লিকা রায়
ওই অস্ত্র
ওই মন্ত্র তুলে ধর বোনেরা
মণিপুরে ঘুমিয়ে যাওয়া
মায়েরা ক্লান্ত আজ……

ওই বাতাসের মন্ত্র দিলাম
ও দেশে
আগুণ ফলে,ছড়িয়ে পড়া উত্তাপ
পৌঁছে দেব
বোনেরা সম্পূর্ণ