| কবিতা | ঔরত |
| কবি | মল্লিকা রায় |
| কবিতার বিষয় | জীবনমুখী, প্রকৃতি |
ঔরত
সিঁড়ির ক্লেদ, গুণতে গুণতে
ওঠা আর নামা
ধাপে ধাপে সংজ্ঞা, বিন্দু বিসর্গের পরেও রেশটান
অধোগামী ছায়ারা আলোয় অমূর্ত জেনেও
ঘিলু ছোঁয় হেডলাইট,
সংবর্তে
অবিভক্ত শ্রোতা কানে বিঁধে রেশমী সকাল
কোহলে এসিডে
উগরোয় আজীবন দূষিত ঢেঁকুর !
আগলের খুঁটি , মাটি ফুরে হা হা উই ঢিবি
আগু পিছু সবটা নিয়েছে
এ কেবল মৃতশব্দ টান টান স্বরে
মধ্যস্থলে –
দৌরাত্ম্যের শুধুই আক্রমণ !
ততক্ষণ ঘোলটে টিপ বেয়ে
নেমে গেছে কবোষ্ণ কালঘাম
দু’ বাঁকের অলি গলি ব্যবধান বয়ে
আমিও জেনেছি
বিবাগীর খোওয়া ইতিহাস, সযত্নে ঢেকেছে
ফসিলের দীপ্ত বলিরেখা
গোলার্ধ তখনও বাকি, মধ্যযামে ছায়াও উধাও
ছোট হতে হতে মেঝেতে মিলালে
ফলে ফুলে ভরন্ত সকাল !
পরিবর্তে জামদানী,সাতনরী
পরিক্রমা আদতে মানুষে,ওইখানে ক্যাবিনেট থাক
থরে থরে সাজানো আদত
চিরদিন একই শব্দে খেলা করে মুদ্রিত বিকেল
সান্ধ্য সিঁন্দুর কে দিল উড়িয়ে
ঘুঙুর জড়ানো দুই পায়ে –
শতাব্দ প্রাচীন বৃত্তে বৃক্ষছায়া তবু
উপোসে,মানসে তার মঙ্গল কামনায় !!