নীল ডায়েরির কবিতা-৮
যদি কখনো ভুল হয় আমায়
তবে ক্ষমা করে দিও
ক্ষমা করে দিও হৃদয় ভরিয়া আমায়।
আমি আর কখনোই আসিবো না ফিরে
জোনাকি রাতের তারা জ্বেলে
বৃষ্টি ভেজা শ্রাবণের ধারায়।
সম্পূর্ণ
যদি কখনো ভুল হয় আমায়
তবে ক্ষমা করে দিও
ক্ষমা করে দিও হৃদয় ভরিয়া আমায়।
আমি আর কখনোই আসিবো না ফিরে
জোনাকি রাতের তারা জ্বেলে
বৃষ্টি ভেজা শ্রাবণের ধারায়।
সম্পূর্ণ
পৃথিবীর চেনা পথ শেষ হয়ে গেছে
শেষ হয়ে গেছে সব – তবুও নয়…
থেমে থাকা নয় তো আর কিছু
তার চেয়ে ঢের বেশি প্রিয়
প্রিয় সবি মানব-মানবী।
সম্পূর্ণ
যদি ভুলে যেতে চাই তাঁরে
ব্যথা পাবো না তবুও কিছু…
নির্ভয়ে নিদারুণ অভিমানে ঝরে যাবো
আজ নিশিতে নিভৃতে।
যদি ঝরে যায় আকাশের তারা’গুলো
কিঞ্চিৎ পরিমাণ অপমানের আদলে
নাগালে পাবো না অন্য কিছু…সম্পূর্ণ
যদি চলে যেতে চাই সে যাক না
আটকাবোনা কখনোই তারে
ঝরে যাবে একদিন নীরবে সে
খসে পড়া পাখির পালকের মতো করে।সম্পূর্ণ
প্রিয়তমা, কল্পনার প্রিয়তমা-
তোমারে দেখে মনে হয় ঝর্ণার থেকেও সুন্দর।
রাতের অন্ধকারে তোমারে দেখলে মনে হয় রাতের পরী-
অথবা ভোরের স্নিগ্ধ আলোয়- রাজহংসীর রানী-
তখন দেখে তোমায় হারিয়ে যায় সব উদাসীন কবি।
পৃথিবীর অনিবার্য রাত্রির কাছে
জ্যোৎস্নায় মৃত হরিণীরা জেগে ওঠে
শীতল সমুদ্রে গা- ভাসাবার জন্য;
সেই আদিকাল থেকে অপেক্ষায় থাকা পুরুষ হরিণেরা
পুরানো প্রেমিকাদের ফিরে পাওয়ার আশায় তাঁরাও জেগে ওঠে
মৃত থেকে; তখন ঝাপ দেয় শীতল সমুদ্রের বুকে।
সম্পূর্ণ
কখনও করিনি প্রশ্ন!
গড়ে তোলো এক দল
বলো আমরা সবাই ভাই ভাই-
রুখে দাঁড়াও, আর না-
সয়েছি কত যন্ত্রণা;
কেঁদেছে কত আপনজন
ভেঙেছে কত কথা,
রুখে দাঁড়াও, আর না-সম্পূর্ণ
আজীবন আমি জ্বলছি বলে
কিছু লিখতে শিখলাম
অনেক কিছু যা বলার নয়
অজস্র জন্ম ধরে আমি পথ হাঁটছি পৃথিবীর পথে।
সবই বাড়বাড়ন্তের পথে এগিয়ে চলে
কিছু পাই আর কখনো কিছু হারায়
তবুও খুঁজে পাওয়া গেল না তাঁকে
আমিতো আগেই বিদ্রোহীর পোশাক গায়ে জড়িয়েছি
তুমি তা মানোনী বোধহয়
সীমাহীন চোখের আড়ালে যাও চলে
মানুষেরা সব উন্নতি থেকে অবনমনের পথে এড়িয়ে চলে – তুমি: তা টের পাও কি কখনো !!সম্পূর্ণ
দিন চলে রাত্রি আসে
বকুল ফুল ঝরে পড়ে গাছের নীচে
তুমি মালা গাঁথবে বলে আজ রাতে সেই ফুল
গোপনে কুড়িয়ে নিয়ে যাবে বসন্তের হলুদ রঙের মেলার মালা উপহার দেবে বলে।
তবুও তুমি আসলে না আমি আর পথ খুঁজলাম না
হারিয়ে গেলাম শহরের দেওয়ালে স্মৃতির চোখ লেপ্টে।।সম্পূর্ণ