নীল ডায়েরির কবিতা-২৮
খুবই বিপজ্জনক ভাবে বাঁচলাম
হয়তো বুঝি না বাঁচলেই ভালো হতো
কেননা আধিক্য ছিল না আমার
সমুচিত হৃদয়ের অগ্রসরে।
খুবই বিপজ্জনক ভাবে বাঁচলাম
হয়তো বুঝি না বাঁচলেই ভালো হতো
কেননা আধিক্য ছিল না আমার
সমুচিত হৃদয়ের অগ্রসরে।
তফাৎ কে আমরা বিন্যাস করি বিনম্র ভাবে
নানা রঙের ন্যায়অন্যায়ে।
পারিনি আমি বিভুত্ব হতে
কেননা ফ্যাকাসে রঙ ব্যর্থ হওয়াই শ্রেয়।
আকাশে জমেছে তারার মেলা
হাওয়ার রাতে স্বপ্নের আনাগোনা
শহরের ব্যস্ত রাজ পথে পথে
কুঁড়িয়েছি প্রেমের ঝরা পাতা।সম্পূর্ণ
এখনো হতে পারতাম কিছু
তবে কি হতে পারতাম!
হতে কি পারতাম নীতিকথার মালিক
নীচের তলার মানুষের মতো মানুষ।
মানুষকে আমি বুঝতে চাইতাম
তবুও কি বুঝতে পারলাম কিছু…!সম্পূর্ণ
বসন্ত যেন শোকমিছিল
কৃষ্ণচূড়ার লাল ফুল হারিয়ে গেছে
বিবেকের রণযুদ্ধে ।
হারিয়ে গেছে সমাজের চেতনা
রাত জাগা নীল বেদনায়
কাগজের নৌকা ভেসে চলে।সম্পূর্ণ
রাত জেগে শহরের কথা মনে পড়ে
কিংবা জীর্ণ গাছের ডাল গুলোর দিকে তাকিয়ে থাকি
যদি মেঘেরা এসে কথা বলে
তবে আমি কিছু হারিয়ে ফেলবো নাকি!
একটি ফুল ফুটলো নীল জোছনায়
সাগরের মতো গর্জনে গজিয়ে উঠলো তারা
হয়তো নীরবে ঝরে যাবে কিছু…!
শিরোনামহীন যাযাবরের যাত্রী হয়ে।
কোনো সতর্কতা রুখতে পারেনা তাহা
কেবলমাত্র বেঁচে থাকিবার ভয়
ক্ষুব্ধ জনতার মুখের ভাষা কাড়ে
নীল গেলাসের মদ পান করে।
কারা যেন চলে গেল বহুদূরে
নীল গোলাপের কাঁটা ছড়িয়ে ছিটিয়ে,
তারপর রাত্রি নামে প্রান্তরের বুকে
নির্জন সন্ধ্যা তারাকে সাক্ষী রেখে।সম্পূর্ণ
তন্নতন্ন করিয়া আমি খুঁজেছি তোমারে
পৃথিবীর প্রতিটি মানচিত্রে
জীবনের প্রতিটি রেখাচিত্তে
এঁকেছি তোমারি প্রতিচ্ছবি দিনে রাতে।
কিঞ্চিৎ পরিমাণ সাফল্য
নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বঞ্চিত ছিল
তারপর অনুরূপে জন্ম নিয়েছিল
কয়েকটি চিঠির অদ্ভুত ভাষাগুলো।সম্পূর্ণ
যদি এক যুগ পরে কোনো একদিন
আমার কথা মনে আসিলে
হাত বাড়িয়ে আমায় ডেকো
প্রতিটি মানুষের শিরায় শিরায়।
আমি নিদারুণ অভিমানে চলে যাবো দূরে
নীল গোলাপের কাঁটার আঘাত পেয়ে।
বড়োই দেরি হয়ে গেছে জেগে উঠিতে
চলন্ত রেলগাড়ির যাত্রীরা নেমেছে বহুদূরে।
সম্পূর্ণ
যদি মনে রাখতে পারি তবুও তাঁরে
কখনো ভুলে যাবো না তাঁরে
নির্ভয়ে নিদারুণ সংকল্প নিয়ে
জোনাকির মুখ থেকে আলো কেড়ে
এই শহর ভরিয়ে দেবো আলোর রোশনায়ে;
দেশলাই বাক্সে জীবনের চাবিকে রেখে
নীল আবির ছুঁয়ে ফেলবে মৃত্যুকে –
ছুঁয়ে ফেলবে হতাশার জগৎকে।সম্পূর্ণ
আজ অহর্নিশে ফুটিয়াছে বেদনার ফুল
তোমায় অস্থিরতার প্রহর গুলিতে
আমি জেনেছি সব অসহিষ্ণুতা
মানুষের বিপরীতে নতুবা মানুষে বেঁচে থাকে।
সম্মুখে দাঁড়াইয়া আছে মৃত্যু
হাতের নাগাল কে স্পর্শ করে
তারপর সলিতার আগুনে
জীবন পুড়বে ধীরে ধীরে।সম্পূর্ণ