আমি তোমাকে ভীষণ ভাবে জানি
আমি জানি মেয়ে,তোমার রাত বিছানায়আর কবিতা থাকে না কোনো।তোমার শিৎকার জুড়ে থাকেনা কোনো প্রেম। আমিসম্পূর্ণ
আমি জানি মেয়ে,তোমার রাত বিছানায়আর কবিতা থাকে না কোনো।তোমার শিৎকার জুড়ে থাকেনা কোনো প্রেম। আমিসম্পূর্ণ
নিস্তব্ধতা;দীর্ঘশ্বাসেরও শব্দ নেই, গাল বেয়ে পড়া দুর্বোধ্য দু’ফোটা অশ্রুরনির্ঝরতার শব্দ নেই, নিস্তব্ধতার কান্না!হৃদয়ের গহীন হতেসম্পূর্ণ
সঙ্গমান্তে ফরজ গোসল শেষে,যার কথা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফ্যালো তুমি,তার চোখে প্রেম ছিলো , প্রেম। তোমারসম্পূর্ণ
কিভাবে বলি বলুন তো!এভাবে কি বলা যায়?আপনাকে দেখলেই প্রেম পাচ্ছে খুব!বুকের মধ্যে ঢিপঢিপ শব্দ হচ্ছে,পানিসম্পূর্ণ
নারী তোমার শাড়ির উপরের উঁচু স্তনে হাত বুলাতে নয়,আমি ভালবাসি তোমার কোমল গালের স্পর্শকে।নারী তোমারসম্পূর্ণ
ইতিহাস থেকে আমি ছুটে এসেছি-কেবল তোমার বর্তমান হবো বলে!আমাকে গ্রহণ করো নতজানু প্রেম,আমাকে বেঁধে নাওসম্পূর্ণ
জানলায় দাঁড়িয়ে থেকে পুরো একটা জীবন পার করে দিলাম,তারপর আর কোনো অজুহাত না দেখিয়ে সরাসরিসম্পূর্ণ
সেদিন সন্ধ্যার কিছু আগে হঠাৎ উঠলো বেজে আমার নিথর টেলিফোন রিসিভার তুলে শুনলাম খুব মৃদুসম্পূর্ণ
সাড়ে ছয়দিন পর শহরে ফিরে দেখি প্রেমিকা ঘুমাতে গেছে সিডাটিভ খেয়ে, প্রেমিকাদের মনগুলো ও’রকম… একশসম্পূর্ণ
বিশল্যকরণী বলে কিছু নই শেষ ওব্দি লক্ষ্মণের লাশরাবণের মর্গে পড়ে ভেটকে উঠেছিলভিড়ের দড়ির টানেখর্ব অপুষ্টসম্পূর্ণ
নাকি স্পষ্ট অবহেলা, কোরকে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে,আজো যে আকাশ দেখা যায় তারো দূরে ওপারে আকাশে চ’লেসম্পূর্ণ