দিন নিভে গ্যালে
তোমার লালার মতোন আঁঠালো জোৎস্নায়- আমরা নেবে পড়ি,চাঁদ এসে থালা ভরে ঢেলে দেয় রঙ- দ্যাখো!সম্পূর্ণ
তোমার লালার মতোন আঁঠালো জোৎস্নায়- আমরা নেবে পড়ি,চাঁদ এসে থালা ভরে ঢেলে দেয় রঙ- দ্যাখো!সম্পূর্ণ
একবিংশ শতাব্দীর কবিতার ষড়যন্ত্রকেঁড়ে নিয়েছে প্রেমিকার ঠোঁটের চুমু।কেড়ে নিয়েছে নির্ঘুম প্রেমিকের প্রেম বার্তা,উপহার স্বরূপ জমাটবদ্ধসম্পূর্ণ
স্পর্শের আড়ালে লুকিয়ে,তোমায় কামুক উন্মাদায় মিশে উৎকর্ষ,সিমাহীন অন্তরায় বাহুবাঁধন মিলিয়ে যায়সৃষ্টির রহস্যে। দু-এক করে শারীরীকসম্পূর্ণ
রেলগাড়ীর কামরা ভরা ঘুমক্লান্ত এক দুপুর নিঝুম,অভিসারে বিধ্বস্ত প্রেয়সীর মুখযেনো সুখের মত এক অসুখ।স্টেশনে স্টেশনেসম্পূর্ণ
তোমারে দেখেছি আমি-যেমন ওয়ালথার পিপি বুকে এসে ঠেস দিলে-মুখ মনে পড়ে মৃত্যুর;তেমন তোমার মুখখানি ভেসেসম্পূর্ণ
প্রিয়তমাষুহিজলের বন ছুঁয়ে ঝিরিঝিরি বর্ষণে সেদিন তুমি এসে ছিলে। কেয়া, কদমের পাপড়ীতে মিশে। শালিক, শ্যামারাসম্পূর্ণ
সপ্তবিংশতি তোমাকে পেয়েছিহয়তো আমার অবেলায় ;তোমাকে দেখেছি সপ্তর্শে, অষ্টাদশে;কতটা নিষ্পাপ,শুভ্র আর সরলায়।। সপ্তবিংশতি এখনো তুমি কৈশরী, সম্পূর্ণ
হাগলচোদা হই বই রইসি হইরহাড়ে। হ্যাডে ভুগ নাই-কইলজায় নাই হানি!মাথার ভিতর এ কি ডিস্টাপ শুরুসম্পূর্ণ
বৃত্ত থেকে দূরে – বুনোফুলের বনে – হাঁটতে যদি সাথে – মৌরিফুলের মর্ম তুমি –সম্পূর্ণ