শূন্য পকেটে ধূসর শহর
শূন্য পকেটে ধূসর শহর পংকজ পাল চশমার কাচ ভিজে ওঠে নিছক কুয়াশায়, তোমার কাজল ধোয়াসম্পূর্ণ
চলমান প্রেক্ষাপটে লেখা সমসাময়িক কবিতা গুলোর জন্য এই পাতা।
শূন্য পকেটে ধূসর শহর পংকজ পাল চশমার কাচ ভিজে ওঠে নিছক কুয়াশায়, তোমার কাজল ধোয়াসম্পূর্ণ
বুকের পাঁজরে জমানো দীর্ঘশ্বাসগুলো আজ তবে ছুটি নিক, মহাকালের জঠর থেকে একফালি রুপোলি বক্রতা— নামেসম্পূর্ণ
নির্জন প্রান্তে পংকজ পাল ভাবছি, ফিরে আসাটাই বাঞ্ছনীয়, দীর্ঘ কাল আঁধারে ভিজেছে হাতগুলো। কখনো তোমারসম্পূর্ণ
নির্জন প্রান্তে পংকজ পাল ভাবছি, ফিরে আসাটাই বাঞ্ছনীয়, দীর্ঘ কাল আঁধারে ভিজেছে হাতগুলো। কখনো তোমারসম্পূর্ণ
ভ্রান্ত শিখাবেন না —পংকজ পাল ভ্রান্ত শিখাবেন না সুহৃদ— প্রতীতি-প্রচ্ছন্ন প্রজ্ঞার প্রলাপ নিশীথে নিঃসৃত হয়সম্পূর্ণ
তোমরা যারা, রঙিন চশমার পেছন থেকে আমার হাসি দেখো, কিম্বা স্যুটের কাঁধে ঝুলে থাকা ক্লান্তিরসম্পূর্ণ
আলো ঝলমলে দিনের শেষে, দুজনার চোখে আঁধার মেশে। হৃদয়ের গোপন কথা যত, যেন লুকানো কোনোসম্পূর্ণ
প্রাণনাশ কত সহজ,মৃত্যুর উৎসব গ্রেনেডে ধ্বংস গাজা কোন সে পাপে,পুড়ছে ওরা না’জানি কিসের সাজা। ফিলিস্তিনসম্পূর্ণ
তোর বুঝি ভীষণ কষ্ট হয়? —না! কেন হয় না? তুইও তো মানুষ! আর দশ টাসম্পূর্ণ
রহিম চাচার মেয়েটা যখন প্রচন্ড প্রসব যন্ত্রনায় ছটফট করছিলো, সেটা তোমার চেয়ে আমার ভালো বোঝারসম্পূর্ণ
আমি ঘুমাতে পারিনা মানুষের নয়, মনুষত্বের মৃত্যু আমায় অনুক্ষণ দগ্ধ করে আমি ঘুমাতে পারি না।সম্পূর্ণ
হয়তো , কোনো একদিন, তোমার শরীরের ত্বকের গোলাপি রং ফিকে হয়ে যাবে দুচোখের সোনালী ফ্রেমেরসম্পূর্ণ