সহ্যের আড়ালে
বাস্তিলের প্রাচীর ভেঙে তারা রক্তে লিখেছিলো ইতিহাস, আমার রক্তপাত শুধু সিগন্যালের গ্লানি, নীরব অগ্নুৎপাত —সম্পূর্ণ
বিবর্ণ কোলাজ
আমি বলছি নির্ভেজাল এক প্রেমের কথা, চোখের সামনে দাড়িয়ে যে নিঃসংকোচে বলতে পারে ভালোবাসার কথা…সম্পূর্ণ
কয়েকটা নির্বাক সেতু
দিনান্তে ভালোবাসার আপদ, সন্ধিক্ষনে জীবন্ত দুটি কাকতাড়ুয়া কিংবা মাঝ বরাবর নির্বাক যোগাযোগ সেতু! নির্বোধ পৃথিবীরসম্পূর্ণ
একটুকরো মৃত চাঁদ ও মৃত্যুর রং..
তুমি কখনো একলা একাকী নিঝুম কোন পুর্নিমার রাতে বৃষ্টিতে ভিজেছো? একলা কোন অমাবাস্যার রাতে ব্যালকোনিতেসম্পূর্ণ
অব্যক্ত শিলালিপি
প্রাণের বর্ণমালা দিয়ে আমি মানুষটাকে গড়ি, আমি সেই মানুষ টা কে ভালোবাসি মনের সব অলিন্দসম্পূর্ণ
আর এক মেরাজের গল্প
আমার সঙ্গে তোমার দেখা হবে না, এক শহরে থাকবো, হয়তো পাশাপাশি একই রাস্তায় হাটবো –সম্পূর্ণ
শহরের বিপন্ন বাউল
বুকের ভিতরে পুষি নক্ষত্রের মত ক্ষত, কান্না আমার—হলুদ পাখির গান, শহরের রাস্তায় আমি—এক বিপন্ন বাউল,সম্পূর্ণ
কোট ও টাইয়ের কোরাস
আলোর ঘোড়া রাত থেকে ঠুকরে খাচ্ছে নীল ছায়া ছায়া মহীরুহ এঁকেছে ধোঁকার কোলাজ পুরাতন কারবালাসম্পূর্ণ
খেলা গেছে চলে
দাঁত, নখ হাড়ের সমুদ্র লাগে পায় আরো গভীর ধারালো অন্ধকার এসে রক্তাভ ঠোঁটের ছেঁড়া লাগিয়েসম্পূর্ণ
বাংলাবসন্ত
বায়ান্ন, ঊনসত্তর, একাত্তর ফিরে চব্বিশের বসন্তে পিচের ভাঁজে ভাঁজে রক্তের আখ্যান চোখভরতি বিবেকী কান্না অজস্রসম্পূর্ণ
অপমৃত্যুর সন্ধিক্ষণ
চোখ বুজে তাকালে দেখতে পাই নিজস্ব স্বপ্নের ভালোবাসার অজস্র অপমৃত্যু, দাস ব্রাদ্রাস মোড়ের মিছিল সরণীতেসম্পূর্ণ