এক কোটাধারীর আত্মকথন
মেধার কি আর আছে রে দাম–
আমার কোটার কাছে,
ফুলেল এই দিন আমার,
কোটা বিরোধীর কবর রচে!সম্পূর্ণ
স্বাধীনতার কবিতা
মেধার কি আর আছে রে দাম–
আমার কোটার কাছে,
ফুলেল এই দিন আমার,
কোটা বিরোধীর কবর রচে!সম্পূর্ণ
সোনার বাঙলায় সুখ আজ মৃত পথ-প্রান্তর প্রাণহীন নিস্তব্ধ, মধ্য রাত্রের আঁধারে নিমজ্জিত প্রতি মুহুর্ত কাটেসম্পূর্ণ
সবই তো এমন অযথাই ঝড় বৃষ্টি ডাকো
সরে গেলে আত্মিক ছায়া
উঠোন’টা এলোমেলো লাগে, শয্যাময় রৌদ্র তামাসা
মনে হয় মূর্ত থেকে উঠে গেছি আমি
একটি পুরুষ তার রৌদ্রগাহ মুখ,দাঁড়ি, চুল প্রখর জিলেট
এখনও রাখা কৌমের ভেতর
সে-ই শুধু তোরঙ্গ বদলায়, একা এক মাঠ
পরে
নি:শব্দে পেয়েছে দেখো কি জটিল
জৈবিক মূর্ছণা, সরে গেছে আত্মিক পিপাসা
ক্ষুধা তেষ্টা সর্বৈব অধ্যায়
চিরন্তন আমি অগোচর বৃষ্টিহীন শ্রান্ত ধূসর
ডাক দেও সর্বৈব আত্মিক
টেনে তোল জীবের ভেতর ,ও ধারে কর্তিত কোন
জীবাংশের দেহ, পূর্ণ তত্ত্ব রেখে দাও
বুকের ওপর,দেখে যাও নিসর্গিক ফলসা জগৎ।
বাংলা আমার যুদ্ধ ঘাঁটি, গর্জে উঠুন অন্যায় প্রতিবাদী
বাংলা তোমার বীর সন্তান, ক্ষুদিরাম ও নেতাজী।সম্পূর্ণ
রাষ্ট্রবাদীরা কেমন হয়! প্রেমিকার উন্নত বুকে তাদের লোভাতুর দৃষ্টি কি মায়ের স্তন্য পানের কথা মনেসম্পূর্ণ
ব্যবসায়ী মানুষ গুলো এই বেকারত্ব দুনিয়ায় –
কিছু দুষ্টু মালিকের পদ পেয়েছে।
ইনভেস্টের অতীত ঘাঁটলে তার দেখা যায়!সম্পূর্ণ
গ্রীষ্মে যখন বায়ুর ছেঁকা,গা পুড়ল!
উড়তে আকাশ পানে;
পাখিরা সব দলে দলে স্নান করল..সম্পূর্ণ
এসো, শোন কানে কানে বলি, রাজার নাকি হয়েছে অসুখ, দিন রাত গায়ে দিয়ে নাকি ভণ্ডামিরসম্পূর্ণ
সাবধান হয়ে যাও বলছি, সাবধান……..
এসে গেছে কবি…. এসে গেছে…. প্রকট অন্যায়ের সমাধান
চারি পাশে পাপে জর্জরিত,দেখি ধ্বংসস্তূপের বাতাবরণসম্পূর্ণ
সকল শূন্যতা জুড়ে তোমার অনুভূতি আমায় পূর্ণতা এনে দেয়, আমার শ্বাস-প্রশ্বাসে তোমার স্নিগ্ধতার স্পর্শ আমারসম্পূর্ণ