চির অমর কাজী নজরুল
তোমার হাতে গাঁথা মালাখানি যায় নি ছিড়ে
শুকায়নি আজও হিন্দু মুসলিম একই বৃন্তের দু’টি ফুল,
কাঁটাতারের বেড়ায় ভাগ হয়েছে
অসাম্প্রদায়িক বাংলার এ কূল ও কূল।
ভাগ হও নি তুমি,
মানব ধর্মের মেলবন্ধনে রয়ে গেছ
চির অমর কাজী নজরুল। সম্পূর্ণ
তৃতীয় বিশ্ব থেকে
ধ্বংস হোক, ধ্বংস হোক সকল সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস হোক। নিপীড়কের বিচ্ছিন্ন কোন দল নেই, ছ’টি মহাদেশেসম্পূর্ণ
স্বাধীনতা, উলঙ্গ কিশোর
জননীর নাভিমূল ছিঁড়ে উল্ঙ্গ শিশুর মত বেরিয়ে এসেছো পথে, স্বাধীনতা, তুমি দীর্ঘজীবী হও। তোমার পরমায়ুসম্পূর্ণ
ঊনসত্তরের ছড়া – ১
ট্রাক ! ট্রাক ! ট্রাক ! শুয়োরমুখো ট্রাক আসবে দুয়োর বেঁধে রাখ। কেন বাঁধবো দোরসম্পূর্ণ
স্বাধীনতা তুমি
স্বাধীনতা তুমিরবিঠাকুরের অজর কবিতা, অবিনাশী গান।স্বাধীনতা তুমিকাজী নজরুল ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানোমহান পুরুষ, সৃষ্টিসুখের উল্লাসেসম্পূর্ণ
আব্বা মইরা ভূত, মা পেত্নী হয়ে আছে
জয় স্বাধীনতার জয় –স্বাধীনতা নিয়ে এখনো পক্ষ-বিপক্ষ,তর্ক-বিতর্ক,মিছিল-মিটিং,সভা- সমাবেশ,হাতা-হাতি, মারামারি,খুনোখুনি, থানা-পুলিশ,জেল-হাজত ,সাজা মওকুফ,কুচকাওয়াজ,সমরাস্ত্র প্রদর্শনী,পার্টি-মদ্যপান,দেশাত্মবোধক গান, ঘোষক-সম্পূর্ণ
বন্দী শিবির থেকে
ঈর্ষাতুর নই, তবু আমিতোমাদের আজ বড় ঈর্ষা করি। তোমরা সুন্দরজামা পরো, পার্কের বেঞ্চিতে বসে আলাপসম্পূর্ণ
তোমার জন্য
তোমার জন্য জয় করেছি একটি যুদ্ধ একটি দেশের স্বাধীনতা, তোমার হাসি, তোমার মুখের শব্দগুলি সেইসম্পূর্ণ
যেভাবে সে এলো
অসম্ভব ক্ষুধা ও তৃষ্ণা ছিলো,সামনে যা পেলো খেলো,যেন মন্বন্তরে কেটে যাওয়া রজতজয়ন্তী শেষেএসেছে সে, সবকিছুসম্পূর্ণ



