ঘুমন্ত দৈত্য
শহরের খাওয়া হয়ে গেছে শহরের এখন খিদে নেই তাই উচ্ছিষ্ট মানুষ, মা, বাচ্চা আজ রাতটাসম্পূর্ণ
রাষ্ট্র, দেশ, বিদ্রোহ নিয়ে লেখা রাজনৈতিক কবিতা সমূহ।
শহরের খাওয়া হয়ে গেছে শহরের এখন খিদে নেই তাই উচ্ছিষ্ট মানুষ, মা, বাচ্চা আজ রাতটাসম্পূর্ণ
দেখেছি জুয়াড়ির নৌকো তিনজন আরোহীকে নিয়ে অশুভ আকর্ষণে ছুটে যাচ্ছে কালো পাল তুলে লষ্ঠনের চোরাসম্পূর্ণ
তুমি হাতজোড় করে মাফ চাইতে পারো পায়ের ওপর মাথা ঠুকতে পারো কাঁদতে কাঁদতে মুচলেকা দিতেসম্পূর্ণ
অনেক গ্রামবাসী তাদের চারজন কমরেডের মৃতদেহর জন্যে শহরতালুকের মর্গের বাইরে সকাল থেকে বসে আছে। একজনসম্পূর্ণ
হাঁটুর ওপরে যারা হেঁটে যান আমরা সেই নির্গুণের জয়গান গাই আমরা শব্দগুলো ঠিক ঠিক উচ্চারণসম্পূর্ণ
কোনো এক কুঠুরিতে লণ্ঠনের নিভে আসা আঁচে দেখা যায় একটি মেয়ে নিজের কাপড়ে গলা বেঁধেসম্পূর্ণ
কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত, রাখালেরা পুনর্বার বাশিঁতে আঙুল রেখে রাখালিয়া বাজাবে বিশদ।সম্পূর্ণ
আমরা ভোটের অধিকার নিয়ে দাঁড়াই
সরকারি কার্যালয়ের টয়লেটের সামনে
মনু মামার চায়ের দোকানে।
আমাদের বুদ্ধিজীবিতা এসে থেমে যাচ্ছে
দশ টাকার র-চায়ের চুমুকে, অপ্রেমিকার ঠোঁটে।
ব্যর্থ রাজনীতি মেনে নিয়ে যাপন করি নাগরিক জীবনসম্পূর্ণ
হৃদয়ের অশ্রুপাত কে বা কারা দেখিবে। নিঃশেষ একটি নিশিতে রুধির বন্ধনের সবাইকে ইতি করে দিলো।সম্পূর্ণ
সব শ্রেণী পেশা কিংবা শ্রেণীহীন হাত তুলে নিচ্ছে দেখো রক্তের কলম,
পান্ডুলিপির শরীর থেকে, কেটে দেবে তাদের সারিবদ্ধ লাইন;
পথভ্রষ্ট শব্দরা কবিতার স্বীকৃতি পাবেনা।সম্পূর্ণ