মেঘের শাদায়
মেঘের শাদায়– লেপ্টে যাওয়া তোমার চোখের কাজলে লিখে গেলাম আমার এপিটাফ। শিশির জমুক তোমার চিবুকভরাসম্পূর্ণ
প্রেম ভালোবাসা আবেগ এবং অনুভূতির কবিতা।
মেঘের শাদায়– লেপ্টে যাওয়া তোমার চোখের কাজলে লিখে গেলাম আমার এপিটাফ। শিশির জমুক তোমার চিবুকভরাসম্পূর্ণ
কর্কটক্রান্তি রেখার মাঝবরাবর ঠিক নিচে মিলে যায় দুটো শরীর, তপ্ত সূর্য ছায়া দেয়, তৃপ্ত নরসম্পূর্ণ
মৃতের নিজস্ব কোন গন্ধ থাকে না! মৃতদেহ যেমন কোন ঘ্রাণ বোঝে না… তার চারপাশে ভিড়সম্পূর্ণ
সে থাকে দূরে অহর্নিশি ডেকে যায় রোদ-বৃষ্টির সুরে! কেউ থাকে দূরে মেঘ হয়ে আমায় দেখেসম্পূর্ণ
তোর ভেতরে আমি কোথাও ছিলাম কি কোনদিন! তোর কাছে তবু আমার কিসের এত ঋণ! তুইসম্পূর্ণ
চাঁদেরও তো যৌবন ছিল আঁচ করা যায় খুব সূর্য প্রেমিক ঝলসেছিল দেখে তার সে রূপসম্পূর্ণ
আমি তোমায় দেখে চমকে উঠি তুমি চমকাও না আমি তোমায় দেখে থমকে দাঁড়াই তুমি থমকাওসম্পূর্ণ
ত্রিমাত্রিক পৃথিবী বহুমাত্রিক তুমি দ্বিমাত্রিক প্রেম আর মাত্রহীন আমি আপন কারো স্পর্শ খোঁজে নিথর মরুভূমি।সম্পূর্ণ
সময়ের ভেংচিতে
বিদ্রুপ হয়ে তেড়ে আসে যার
অতীতের প্রেম; তার কাছে মৃত্যুস্বাদ
নতুন এক অভিজ্ঞতা মাত্র।
মুছে যাওয়া চোখে হারিয়ে গেছে যার পথ
আয়ুর সীমানা তার বিফল পাযের কসরত।সম্পূর্ণ
আশ্বিনের দমকা হাওয়ায়, শরৎ এর বৃষ্টি মোর হাতে এ কেমন শীতল পরশ, মন ছিল অনেককালসম্পূর্ণ
সলাজ ক্ষারিকা বুঝি ধুয়েছে আকাশ!
বিশাখার পাশে যেন বসে অগণন
সারিকার হাতভরা সম্মোহনী কাশ
মিটিমিটি ঢেলে যায় গণিকার মন।
মানুষের বেশে বুঝি পৃথিবীর হাটে
স্বাতী তারা এসে যায় রাতের তল্লাটে।
সম্পূর্ণ
বড় হও দেবদারু, পিপাসার ঘ্রাণে
ছায়া বেয়ে চলে এসে পথ ভোলা রাতে
কুয়াশায়– দেখে যাব আগামী অগ্রাণে
সাবিত্রীর চকচকে কালো ফুটপাতে।
মৌয়ালী মদিরা মেখে জ্যোৎস্নায় ভেসে
অতীতের কুহুতান ঘনায় যখন
ময়ূরাক্ষী বাতাসের হীমদহি শ্বাসে
ফুঁকে যাবো অক্ষবাটে উদাসীন মন।
গাঢ় হও দেবদারু, অশরীরী মাঠে
ছায়ামনে তরুতল রোদের সারস
অয়োময় নারীনৃপ ঝুমুরের ঠাটে
রেখে গেছে যাপনের বিবমিষা কষ।
সলতের চোখ বেঁধে বিদেহী আগুন
নুনের নাগাল পেতে করে যায় খুন।সম্পূর্ণ
নিরঞ্জন ছিল অভিশপ্ত দেবতার মতো,
যে পাওয়ার খুব কাছে গিয়ে
হারাতো সবই।সম্পূর্ণ