তুমিই রাজন্যা
এত বেশি চাও পরের জন
সুযোগ না পায়,চেয় না কোনদিকে
প্রভা ক্ষয়ে যাবে |
আহ্লাদী হও পরজীবে ছুড়ে দাও
বিক্ষিপ্ত ইঙ্গিত,হেঁটে যাওসম্পূর্ণ
এত বেশি চাও পরের জন
সুযোগ না পায়,চেয় না কোনদিকে
প্রভা ক্ষয়ে যাবে |
আহ্লাদী হও পরজীবে ছুড়ে দাও
বিক্ষিপ্ত ইঙ্গিত,হেঁটে যাওসম্পূর্ণ
সবশেষে চিৎকারে বলি,
কারাবাস দীর্ঘতর হোক!
প্রজাপতি উচ্চতর হোক!
নর-মানুষ নিম্নতর হোক!
সম্পূর্ণ
কোকিলের কুহু কেকা দোয়েলের শিস, জনম বাংলায় মোর দেবের এ আশীষ, গাছ নদী ফুল পাখিসম্পূর্ণ
আমার সুর বেদনার বিরহের
তোমার লাগবে না ভালো
জানি আমি অন্ধকারে আমার ডুব
তোমার চোখে ঝলমলে আলো।
বন্ধুরে বুক জুড়ে মোর ক্ষত
জ্বলে-পুড়ে অঙ্গার আমি
দেখিনা স্বপ্ন আর বিজয়ীর
অথচ সজিবতায় উজ্জল তুমি।
তোমার আমার দুইদিকে যাত্রা
আমি গান গাহি বিরহের
মিলনের আশা আর রাখিনা
তোমার বুকে ফোটে ফুল আনন্দের।
বন্ধুরে বিভেদের দেয়াল সুউচ্চ
আমারে খুঁজে পাবে না তুমি
আমি পলাতক,নিশ্চুপ-নির্বাক
তুমি উচ্চৈঃস্বরে সতত সংগ্রামী।
ট্রেন ভ্রমণ মোঃসোহাগ আলমগীর ট্রেন ভ্রমণের কাহিনি শুনুন তবে ভাই রজনীতে ঘুম হলোনা টিকিট নাসম্পূর্ণ
হৃদয়ে কারফিউ সারাবেলা
কারফিউ চলে সময়ের বুকে ও
তাইতো কাগজ সাদাই রয়ে যায়
চলে না কালির আঁচর শত চেষ্টায় ও।
হৃদয়ের কপাট খুলে
দখিন হাওয়ার পরশ মেখে
উন্মুক্ত আলোতে মেতেছি সৃষ্টিতে
কূপমন্ডুক হিংসায় জ্বলে তা দেখে।
হৃদয়ের কারফিউ ভেঙ্গেছি হাজারবার
ভেঙ্গেছি সময়ের দেয়াল রাত ভোর জেগে
তবু বেসেছি ভালো আমার বিরহ লেখনি
লিখে যাই নিশ্চুপ যার যেমন লাগে।সম্পূর্ণ
মৌনী বাবা
—— প্রতাপ মণ্ডল
সাবধানে আজ ফেলছি পা, বুঝে শুনেই বলছি কথা
কাল হয়েছে এক প্রস্থ, গিন্নির আজ গরম মাথা…
ঘুম ভেঙেছে বেশ সকালে,বাইরে তখন অঝোর বৃষ্টি,
গিন্নী কেমন থম মেরে, আজ ঠিক হবেই অনাসৃষ্টি!
ভাঙাবো ঘুম? ভাবছি আমি,গায়ের পরে আলতো হাত
চিল চ্যাঁচানো অমনি শুরু, ভাঙলো বুঝি ঘরের ছাদ..!
আদর করে কাছে টেনে, একটা হাত মুখের পরে….
জোর একটা ধাক্কা দিয়ে, গিন্নী আমার গেলো সরে।
“ভালোবাসি তোমায়, ও গিন্নী, এসো নাগো একটু কাছে!
বাসলে ভালো ঝগড়াঝাঁটি, ওটা জানো নিয়ম আছে..!”
আগুনে যেন পড়লো ঘি! উঠলো জ্বলে দাউ দাউ…
দাঁত খিঁচিয়ে বললো আমায়,”অন্য কাউকে বিলিয়ে দাও।”
আপনারা যাঁরা পাঠক পাঠিকা, বলুন দেখি, কেমন কথা?
বাসলে ভালো ঝগড়া হবেনা? বুকে এখন দারুণ ব্যথা।
আজকে নাকি রান্না বন্ধ! সকাল সকাল রণহুঙ্কার,
বলেছি সব রাগের মাথায়, এটাও তো বোঝা দরকার!
দিনটা আজ খতরা খুব, সাজতে হবে মৌনী বাবা,
বেফাঁস যদি বলেই ফেলি, বাঘিনী ঠিক মারবে থাবা!
কাজ নেই আর কথা বলে, দূরেই থাকি, ওরে বাবা….!সম্পূর্ণ
বিষাদের লিরিক অন্তবিহীন
চারিদিকে অন্ধকারের জয়ধ্বনি
তবু সাদা মনের মানুষেরা
জানায় আলোর বারতা আগমনি।
ঐ পবিত্র মনের মানুষগুলোর সঙ্গে
আমিও সামিল থাকতে চাই
চাই ভুবন জুড়ে আলো ছড়াতে
আমার মনে কোনো কলুষতা নাই।সম্পূর্ণ
সংশয় সংশয় আর শুধু ভয়
মনজুড়ে শুধু হতাশা আর পরাজয়।
কি জানি কি খেয়ালে বিষাদি
বোঝেনা কেউ মোর ভাষা উদাসি
কূপমন্ডুক দিকে দিকে হায় আঁধারি
দ্যাখে না খোলা আকাশ,গলেতে ফাঁসি।
উন্মুক্ত প্রান্তরে তবু মন ভীতু
প্রত্যাশা-প্রাপ্তির মিলন ঘটাতে
কল্যাণের আহবানে ছুটে চলতে
কতটুকু স্বার্থক মন,ভাবি আপনাতে।
ভয় ভয় মনেতে শুধু দ্বিধা
পৌঁছাবো তো গন্তব্যে টপকে সব বাঁধা।
কি জানি কি হয় নাইতো জানা
আল্লাহ মেহেরবান ভরসাতে তার
চলছে জীবন তরী ধীরলয়
বুকেতে প্রত্যয় বিজয়ী হবার।সম্পূর্ণ
চৈৗদ্দ ফেব্রুয়ারী এ দিবসে হাজারো জুঁটি। স্মৃতি করে রাখে নীতি সাজ্ব সজ্জায় হয়ে যেতে চায়সম্পূর্ণ
সন্তান ছাড়া নাই যে সুখ শান্তি। সন্তান ছাড়া নাই যে পৃথিবী। সন্তান ছাড়া নাই যেসম্পূর্ণ